খাতার নম্বর নিয়ে সন্দেহ আছে? CBSE-র দ্বাদশ শ্রেণির সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার রি-চেকিংয়ের তারিখ ঘোষণা, জানুন ফি ও নিয়মাবলী

সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (CBSE) ২০২৬ সালের দ্বাদশ শ্রেণির সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য নম্বর ও উত্তরপত্র যাচাইয়ের সম্পূর্ণ সময়সূচী প্রকাশ করেছে। প্রাপ্ত নম্বর নিয়ে যাঁদের মনে সন্দেহ রয়েছে, তাঁরা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে উত্তরপত্রের স্ক্যান করা কপি থেকে শুরু করে পুনঃমূল্যায়নের জন্য আবেদন করতে পারবেন। বোর্ডের পক্ষ থেকে প্রতিটি ধাপের জন্য সুনির্দিষ্ট তারিখ এবং ফি ধার্য করা হয়েছে।
স্ক্যান করা কপির জন্য আবেদন কবে?
সিবিএসই দ্বাদশ শ্রেণির সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার খাতার স্ক্যান করা কপির জন্য আগামী ৩১ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। এর জন্য প্রতি বিষয়ে ১০০ টাকা ফি দিতে হবে। বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী, প্রথমে স্ক্যান করা কপির জন্য আবেদন করাই বাধ্যতামূলক। একমাত্র এই কপি হাতে পাওয়ার পরেই শিক্ষার্থীরা নম্বর যাচাই বা পুনঃমূল্যায়নের পরবর্তী ধাপে এগোতে পারবে। কপি পাওয়ার পর প্রার্থীরা নিজেদের উত্তরপত্র ভালোভাবে খতিয়ে দেখে কোনো ভুল বা গরমিল রয়েছে কি না, তা যাচাই করতে পারবেন।
নম্বর যাচাই ও পুনঃমূল্যায়নের দিনক্ষণ
আগামী ৭ ও ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখে নম্বর যাচাই এবং পুনঃমূল্যায়নের জন্য আবেদন করার সুযোগ থাকবে। নম্বর যাচাইয়ের ক্ষেত্রে প্রতি উত্তরপত্রে ১০০ টাকা এবং পুনঃমূল্যায়নের ক্ষেত্রে প্রতি প্রশ্নে ১০০ টাকা ফি ধার্য করা হয়েছে। প্রার্থীরা নিয়ম মেনে এই দুই পরিষেবার যেকোনো একটি বা উভয়টির জন্যই আবেদন করতে পারবেন। তবে মনে রাখতে হবে, শুধুমাত্র তত্ত্বীয় বা থিওরি অংশেরই পুনর্মূল্যায়ন করা হবে এবং সম্পূর্ণ প্রশ্নপত্রটিই খতিয়ে দেখা হবে, নির্দিষ্ট কোনো অংশ নয়। আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের নম্বর বিভাজন ও প্রশ্নপত্র ভালো করে দেখে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বোর্ড।
নম্বর কমলে কী হবে?
সিবিএসই সাফ জানিয়েছে, খাতা যাচাই বা পুনঃমূল্যায়নের পর শিক্ষার্থীর নম্বর বাড়তেও পারে, আবার কমতেও পারে। যদি কোনো কারণে নম্বর কমে যায়, তবে সেই সংশোধিত নম্বরটিই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে—এমনকি এক নম্বর কমলেও তা বৈধ হিসেবে ধরা হবে। সমস্ত আবেদন প্রক্রিয়া ও ফি জমা দেওয়ার কাজটি সম্পূর্ণ অনলাইনে করতে হবে। নির্দিষ্ট ডেডলাইনের পরে কিংবা অফলাইনে কোনো আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে না।