১০ মিনিটে বাড়ি পৌঁছবে রাখি ও মিষ্টি! উৎসবের বাজারে টেকনোলজির ছোঁয়ায় কীভাবে বদলে গেল গিফটিং মার্কেট?

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলেছে উৎসব উদযাপনের সংজ্ঞা। একসময় রাখি মানেই সপ্তাহের পর সপ্তাহ ধরে বাজারের দোকানে ঘোরা কিংবা পোস্ট-কুরিয়ারের মাধ্যমে উপহার পাঠানোর দীর্ঘ অপেক্ষা। কিন্তু বর্তমান যুগে ই-কমার্স (Amazon, Flipkart) থেকে শুরু করে ব্লিঙ্কিট, জেপ্টো বা সুইগি ইনস্টামার্টের মতো ১০-মিনিটের কুইক কমার্স (Quick Commerce) অ্যাপগুলি পুরো উৎসবের বাজারকেই যেন একেবারে বদলে দিয়েছে।
কি ধরনের উপহারের চাহিদা সবচেয়ে বেশি?
প্রযুক্তির হাত ধরে কেনাকাটার পাশাপাশি মানুষের উপহার পছন্দের ধরণও পাল্টে গেছে। এই বছরের রাখি বাজারে যে ট্রেন্ডগুলি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে:
-
স্মার্ট গ্যাজেটস ও টেক অ্যাকসেসরিজ: গতানুগতিক পোশাক বা পারফিউমের বদলে তরুণ প্রজন্মের প্রথম পছন্দ এখন স্মার্টওয়াচ, ওয়্যারলেস ইয়ারবাডস এবং ব্লুটুথ স্পিকার।
-
ইকো-ফ্রেন্ডলি ও ‘সিড রাখি’: পরিবেশ বাঁচাতে সাধারণ সুতোর বদলে এমন সব রাখি বিক্রি হচ্ছে যার মধ্যে বীজ (Seeds) থাকে, যা উৎসবের পরে টবে লাগালে গাছ হতে পারে।
-
গোরমেট চকলেট ও ড্রাই-ফুট হ্যাম্পার: ভেজাল মিষ্টির ভয় এড়াতে মানুষ এখন প্রিমিয়াম আর্টিসোনাল চকলেট এবং অর্গানিক ড্রাই-ফ্রুটস হ্যাম্পারের দিকে ঝুঁকছেন।
-
ডিজিটাল গোল্ড ও সিলভার কয়েন: ক্যাশ বা খামের বদলে এখন রূপোর কয়েন বা ডিজিটাল গোল্ড উপহার দেওয়ার চল দারুণভাবে বেড়েছে।
উৎসবের বাজারে ৩০ হাজার কোটির ব্যবসার অনুমান
কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্স (CAIT)-এর সাধারণ সম্পাদক প্রবীণ খান্ডেলওয়ালের অনুমান অনুযায়ী, এই বছরের রক্ষা বন্ধন উৎসবকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার বিশাল ব্যবসা হতে পারে। এর মধ্যে শুধু রাজধানী দিল্লিতেই প্রায় ৪,০০০ কোটি টাকার বাণিজ্যের আশা করা হচ্ছে। টেকনোলজির হাত ধরে শেষ মুহূর্তের শপিং বা ‘লাস্ট মিনিট বুকিং’-এর এই নতুন ট্রেন্ড ক্রেতাদের কাজ যেমন সহজ করে দিয়েছে, তেমনই ব্যবসার পরিসরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।