মাত্র ৬ বছর বয়সেই তাক লাগাল ছোট্ট অন্বি! ঝুলিতে দুটি গিনেস রেকর্ড আর টেডএক্স স্পিকারের খেতাব!

বয়স সবেমাত্র ছয় বছর। কিন্তু এই অল্প বয়সেই যা সে করে দেখিয়েছে, তা বড় বড় প্রাপ্তবয়স্কদেরও অবাক করার মতো। ভুবনেশ্বরের খুদে প্রতিভা অন্বি বিশাল আগরওয়াল নিজের মেধা ও প্রতিভার জোরে বিশ্বমঞ্চে ভারতের নাম উজ্জ্বল করেছে। জোড়া গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড এবং সর্বকনিষ্ঠ টেডএক্স বক্তার খেতাব অর্জন করে সে এখন খবরের শিরোনামে।
বই লেখা থেকে ছবি আঁকা—সবাতেই প্রতিভার ছাপ
মাত্র চার বছর ২৫৪ দিন বয়সে অন্বি তার প্রথম বই ‘লিটল গার্ল, বিগ ইমোশনস’ প্রকাশ করে। ইংরেজি ও স্প্যানিশ—দুই ভাষায় লেখা এই বইটি ছোটদের আবেগ ও অনুভূতি প্রকাশের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। শুধু লেখাই নয়, বইটির সমস্ত ইলাস্ট্রেশন বা ছবিও সে নিজেই এঁকেছে। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, প্রকাশের প্রথম সপ্তাহেই বইটির ১১৬৭টিরও বেশি কপি বিক্রি হয়। এছাড়া লন্ডনে গিনেসের সদর দফতরেও আমন্ত্রণ পেয়েছিল সে, যেখানে ২০২৭ সালের গিনেস সংস্করণের ‘ইয়ং অ্যাচিভার’ হিসেবে তার জন্য একটি সম্পূর্ণ পাতা সংরক্ষিত রয়েছে।
বই লেখার পাশাপাশি চার মিনিটের একটি অসাধারণ বক্তৃতা দিয়ে সর্বকনিষ্ঠ মহিলা টেডএক্স বক্তার শিরোপাও জিতে নেয় অন্বি। শুধু তাই নয়, মাত্র দুই বছর বয়সে ৭২টিরও বেশি ছবি এঁকে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল সে। মুম্বই, গুরুগ্রাম এবং দুবাইয়ের মতো শহরে তার আঁকা ছবির প্রদর্শনীও হয়েছে।
পরিবেশ নিয়ে সচেতনতা
লেখাপড়া ও শিল্পচর্চার পাশাপাশি পরিবেশের প্রতিও দারুণ সংবেদনশীল এই খুদে প্রতিভা। ২০২১ সালে সে ‘অন্বি হ্যাপিনেস ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠা করে, যার মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব জীবনযাপন ও টেকসই উদ্যাপনকে উৎসাহিত করা হয়। এত বড় সাফল্যের অনুভূতি কেমন জানতে চাওয়া হলে ছোট্ট অন্বির সরল জবাব—এই সাফল্যের আনন্দটা ঠিক একসঙ্গে দুটো আইসক্রিম খাওয়ার মতোই মিষ্টি!