‘মদ-গাঁজা খাওয়ার আজাদি?’ যাদবপুরকে নিয়ে শুভেন্দুর হুঙ্কার, ড্রোন দিয়ে নজরদারির চরম হুঁশিয়ারি!

যাদবপুরকে ঘিরে রাজনীতির পারদ চড়েছে। শুক্রবার ৮বি বাসস্ট্যান্ডের মঞ্চ থেকে বাম ছাত্র সংগঠনগুলিকে সরাসরি নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ‘১০ হাজার কণ্ঠে বন্দেমাতরম্’ কর্মসূচি থেকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি, ছাত্র রাজনীতি এবং মাদক কারবার নিয়ে কড়া আক্রমণ শানিয়েছেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে দেশবিরোধী স্লোগান এবং মাদক ব্যবহারের অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় বলেন, বাম জমানা থেকেই যাদবপুরকে ভারতীয় সংস্কৃতি ও রাষ্ট্রবাদ থেকে দূরে সরিয়ে রাখার চেষ্টা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বর্তমান পরিস্থিতিতেও ক্যাম্পাসের একাংশে দেশপ্রেমের বদলে ভিনদেশি আদর্শ এবং তথাকথিত ‘আজাদি’ সংস্কৃতির চর্চা চলছে।

মাদক নিয়ন্ত্রণে ড্রোনের ব্যবহারের হুঁশিয়ারি

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেল এবং ক্যাম্পাসে মাদক চক্র চলছে বলে অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শুভেন্দু। তিনি জানান, কোথায় গাঁজা বা হেরোইন সেবন করা হচ্ছে তা খুঁজে বের করা হবে। প্রয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে ড্রোন উড়িয়ে কড়া নজরদারি চালানো হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

ঐতিহ্যের অবমাননার প্রতিবাদ

বক্তৃতায় বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রামীদের অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, ক্ষুদিরাম বসু বা মাতঙ্গিনী হাজরার আত্মত্যাগের ভূমিতে দাঁড়িয়ে এই ধরনের তথাকথিত স্বাধীনতার স্লোগান কেন উঠবে? এছাড়া সংবাদমাধ্যমের একাংশকে নিশানা করে তিনি জানান, গেরুয়া শব্দটিকে নিয়ে কোনো রকম অসম্মানজনক তকমা সহ্য করা হবে না, কারণ এর সঙ্গে স্বামী বিবেকানন্দ এবং শ্রীচৈতন্যদেবের মতো মহান ব্যক্তিত্বদের পরম্পরা জড়িত।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *