রুই-কাতলার গতানুগতিক ঝোল খেয়ে বোর? রইল ধামাকাদার ‘স্মোকি ঘি কাতলা’র সহজ রেসিপি

মাছের বৈচিত্র্যে ভরা বাঙালি রান্নাবান্নায় রুই আর কাতলা যেন চিরন্তন। বাজারে যতই নানা পদের মাছ আসুক না কেন, হেঁশেলে এই দুই পদের কদর চিরকালই আলাদা। তবে আলু দিয়ে চেনা ঝোল বা পেঁয়াজ-রসুনের গতানুগতিক কালিয়া খেতে খেতে যদি ক্লান্তি এসে থাকে, তবে স্বাদে ভিন্নতা আনতে পারেন খুব সহজেই। মাছের সাধারণ পদগুলোর গণ্ডি ছাড়িয়ে এবার পাতে আনতে পারেন দারুণ সুস্বাদু স্মোকি ঘি কাতলা।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
কাতলা মাছের পেটি: ৫ পিস
ছোলার ডাল: ১ টেবিল চামচ
আদা-রসুন বাটা: ১ টেবিল চামচ
কাঁচালঙ্কা: ৪ থেকে ৫টি
গোটা জিরে: ১ চা চামচ
মৌরি: ১ চা চামচ
মেথি: আধ চা চামচ
টক দই: আধ কাপ
হলুদ গুঁড়ো: ১ টেবিল চামচ
লঙ্কা গুঁড়ো: ১ চা চামচ
শুকনো লঙ্কা: ৩ থেকে ৪টি
ঘি: ৩ টেবিল চামচ
কয়লা: ১ টুকরো
নুন ও সর্ষের তেল: পরিমাণমতো
সহজ প্রণালী
প্রথমে ছোলার ডাল, মেথি, মৌরি, জিরে এবং শুকনো লঙ্কা একসঙ্গে শুকনো খোলায় ভালো করে সেঁকে নিতে হবে। মশলা ঠান্ডা হলে মিক্সিতে গুঁড়িয়ে নিন।
অন্য একটি পাত্রে মাছের পেটিগুলির সঙ্গে নুন, হলুদ, লঙ্কা গুঁড়ো, টক দই, আদা-রসুন বাটা, চেরা কাঁচালঙ্কা, তৈরি করে রাখা ভাজা মশলার গুঁড়ো এবং সামান্য সর্ষের তেল মিশিয়ে ভালোভাবে ম্যারিনেট করে রাখুন।
এবার একটি ননস্টিক প্যানে পরিমাণমতো ঘি গরম করে ম্যারিনেট করা মাছের টুকরোগুলি হালকা ভেজে তুলে নিন। প্যানে মশলার কাঁচা গন্ধ চলে গেলে এবং তেল ছাড়তে শুরু করলে সামান্য চিনি ও প্রয়োজনমতো গরম জল দিয়ে ঢাকা দিয়ে দিন। মাঝারি আঁচে পাঁচ মিনিট রান্না হতে দিন।
ঝোল ঘন হয়ে এলে গ্যাস বন্ধ করে দিন। এবার রান্নাটির আসল চমক আনতে হবে। প্যানের মাঝখানে একটি ছোট কাঁচের বাটি বসিয়ে তার মধ্যে একটি লাল গরম কয়লার টুকরো রেখে দিন। কয়লার উপর এক চামচ ঘি ঢেলে দিলেই ধোঁয়া উঠতে শুরু করবে। সঙ্গে সঙ্গে প্যানের ঢাকনা airtight করে বন্ধ করে দিন, যাতে ধোঁয়াটা মাছের মধ্যে ভালোভাবে বসে যায়। কয়েক মিনিট পর ঢাকা খুলে গরম গরম পরিবেশন করুন দারুণ সুস্বাদু স্মোকি ঘি কাতলা।