অগ্নিনিরাপত্তা না মানলে কড়া শাস্তি! হাওড়ার ৩৭টি হোটেলকে নোটিস দিয়ে সিল করার হুঁশিয়ারি দমকলের।

বীরভূমের তারাপীঠ এবং কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর এবার নড়েচড়ে বসল প্রশাসন। হোটেলগুলির বিরুদ্ধে সুরক্ষাবিধি না মানার অভিযোগ ওঠার পর কঠোর অবস্থান নিয়েছে দমকল দফতর। এই পরিস্থিতিতে হাওড়া শহরের বিভিন্ন হোটেলে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে বড়সড় পদক্ষেপ করা হয়েছে, যার জেরে শহরের প্রায় ৩৭টি হোটেলে দমকলের তরফে নোটিস ধরানো হয়েছে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে সেগুলি সিল করে দেওয়ার কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার দমকল ও পুলিশের আধিকারিকরা যৌথভাবে হাওড়া শহরের একের পর এক হোটেল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে আকস্মিক পরিদর্শনে যান। সেখানে ফায়ার সেফটি সিস্টেম ঠিকঠাক রয়েছে কি না, তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখা হয় এবং হোটেলের কর্মীদের সঙ্গেও কথা বলেন আধিকারিকরা। দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, যে সমস্ত হোটেলে পর্যাপ্ত অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই, তাঁদের দ্রুত তা চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
একাধিক হোটেল পরিদর্শন শেষে ডিভিশনাল ফায়ার অফিসার অরিজিৎ দাস জানান যে, দমকলের সমস্ত নিয়মকানুন সঠিকভাবে মানা হচ্ছে কি না, তা দেখতেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে এবং ফায়ার সেফটি অ্যালার্ম যাতে সর্বদা ঠিকঠাক কাজ করে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। অতীতে হাওড়া শহরেও একাধিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটার কথা মাথায় রেখে এবং সাম্প্রতিক দুর্ঘটনাগুলির পুনরাবৃত্তি এড়াতেই প্রশাসন এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে জানা যাচ্ছে। আগামী দিনেও এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
প্রধান হাইলাইটস:
-
দমকলের কড়া পদক্ষেপ: অগ্নিনিরাপত্তা বিধি না মানায় হাওড়া শহরের প্রায় ৩৭টি হোটেলকে নোটিস ধরিয়েছে দমকল দফতর।
-
সিলের হুঁশিয়ারি: নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ফায়ার সেফটি ব্যবস্থা চালু না করলে হোটেলগুলি সাময়িকভাবে সিল করে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
-
যৌথ অভিযান: মঙ্গলবার পুলিশ ও দমকলের আধিকারিকরা শহরের বিভিন্ন হোটেল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে গিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন।
-
সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট: তারাপীঠ ও কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের মর্মান্তিক ঘটনার পরই প্রশাসনের এই বিশেষ তৎপরতা শুরু হয়েছে।