চোখের পলকে পুড়ে ছাই ৩০টি গাড়ি! বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকায় বিধ্বংসী আগুনে কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

সোমবার ভোরে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথম কলকাতা বিমানবন্দরের কাছে যশোর রোড সংলগ্ন বাঁকড়া এলাকার একটি গাড়ির শোরুমের ভিতর থেকে কালো ধোঁয়া এবং লেলিহান শিখা বের হতে দেখেন। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ভয়াবহ রূপ ধারণ করে এবং সম্পূর্ণ শোরুম চত্বরে ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পাওয়া মাত্রই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের প্রাথমিক পাঁচটি ইঞ্জিন। তবে আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আরও তিনটি ইঞ্জিন আনা হয়। মোট আটটি দমকলের ইঞ্জিন প্রায় তিন ঘণ্টার অক্লান্ত চেষ্টার পর আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। ভোরবেলা শোরুম বন্ধ থাকায় বড়সড় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি, যা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে এলাকাবাসীর মধ্যে।
ক্ষয়ক্ষতি ও সম্ভাব্য কারণ
অগ্নিকাণ্ডের এই ভয়াবহ ঘটনায় শোরুমে রাখা বহু নতুন এবং সার্ভিসিংয়ের জন্য আসা গাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৩০টি গাড়ি আগুনে সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। এর জেরে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
দমকলের প্রাথমিক অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে। তবে শোরুমটিতে যথাযথ অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা বা ফায়ার সেফটি গাইডলাইন মানা হচ্ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় থানার পুলিশও দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানতে একটি তদন্ত শুরু করেছে। বর্তমানে দমকলের পক্ষ থেকে ঠাণ্ডা করার প্রক্রিয়া (Cooling down process) চালানো হচ্ছে।
ঘটনার প্রধান তথ্যসমূহ (Key Highlights):
ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: সোমবার ভোরে কলকাতা বিমানবন্দরের কাছে যশোর রোড সংলগ্ন বাঁকড়া এলাকার একটি গাড়ির শোরুমে ভয়াবহ আগুন লাগে।
বিপুল ক্ষয়ক্ষতি: আগুনে শোরুমের অন্দরে থাকা প্রায় ৩০টি নতুন ও সার্ভিসিংয়ে আসা গাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে যায়, যার জেরে কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
দমকলের দীর্ঘ অভিযান: আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় দমকলের মোট ৮টি ইঞ্জিন প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিক অনুমান: শর্ট সার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে, যা পুলিশ ও দমকল বাহিনী খতিয়ে দেখছে।