হাসপাতাল থেকে কবে বাড়ি ফিরবেন মীরা ভট্টাচার্য? রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট দেখেই কি মিলবে বড় স্বস্তি?

মীরা ভট্টাচার্যের চিকিৎসায় গঠিত হয়েছে বিশেষ মেডিক্যাল বোর্ড। প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. সরোজ মণ্ডল, গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট ডা. শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় এবং এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট ডা. সেমন্তী চক্রবর্তীর মতো অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। বর্তমানে তাঁকে কোনো ধরনের কৃত্রিম অক্সিজেন সহায়তা ছাড়াই রুম এয়ারে রাখা হয়েছে এবং চিকিৎসকরা তাঁকে ওরাল মেডিসিন বা খাওয়ার ওষুধ দিচ্ছেন।
গত ২১ আগস্ট ৭৬ বছর বয়সি মীরা ভট্টাচার্য তীব্র পেটের ব্যথার সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। এরপর থেকেই গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি, কার্ডিয়োলজি এবং এন্ডোক্রাইনোলজি—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের বিশেষজ্ঞরা তাঁর শারীরিক পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রেখে চলেছেন। চিকিৎসকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
ডিসচার্জ নিয়ে হাসপাতাল সূত্রে যা জানা যাচ্ছে
সোমবারে মীরা ভট্টাচার্যের নিয়মিত রক্তপরীক্ষা করা হয়েছে। চিকিৎসকরা এই পরীক্ষার রিপোর্ট এবং তাঁর সামগ্রিক শারীরিক পরিস্থিতি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করবেন। হাসপাতাল সূত্রের খবর, রক্তপরীক্ষার রিপোর্টে নতুন কোনো জটিলতা ধরা না পড়লে এবং তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি এমনই স্থিতিশীল থাকলে আগামীকাল, অর্থাৎ মঙ্গলবারই তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এবিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে মেডিক্যাল বোর্ডের চিকিৎসকদের পর্যালোচনার ওপরই নির্ভর করছে।
ঘটনার প্রধান তথ্যসমূহ (Key Highlights):
বর্তমান অবস্থা: প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্যের শারীরিক অবস্থা সম্পূর্ণ স্থিতিশীল এবং তিনি রুম এয়ারে স্বাভাবিকভাবে শ্বাসপ্রশ্বাস নিচ্ছেন।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল: হৃদরোগ, গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি ও এন্ডোক্রাইনোলজি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে চলছে তাঁর চিকিৎসা।
হাসপাতাল থেকে মুক্তির সম্ভাবনা: সোমবারের রক্ত পরীক্ষার রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে সবকিছু অনুকূলে থাকলে আগামীকাল মঙ্গলবারই তাঁকে হাসপাতাল থেকে বাড়ি পাঠানো হতে পারে।
ভর্তির নেপথ্য কারণ: গত ২১ আগস্ট তীব্র পেটের ব্যথার সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৭৬ বছর বয়সি মীরা দেবী।