প্রলোভনের ফাঁদে সর্বস্বান্ত! নাবালিকা জন্ম দিল যমজ সন্তানের, মর্মান্তিক পরিণতি ছত্তিশগড়ে

প্রলোভন দেখিয়ে এক নাবালিকাকে দীর্ঘ দিন ধরে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। এর জেরে সেই নাবালিকা গর্ভবতী হয়ে পড়ে এবং সম্প্রতি হাসপাতালে যমজ সন্তানের জন্ম দিয়েছে। ছত্তিশগড়ের সুরজপুর জেলার প্রতাপপুর এলাকায় এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতাপপুর এলাকার এক যুবক ওই নাবালিকাকে ফুঁসলিয়ে তার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে এবং জোরপূর্বক শারীরিক নির্যাতন চালায়। প্রথমে বিষয়টি বুঝতে পারেনি মেয়েটি বা তার পরিবার। কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরে পেটে তীব্র ব্যথা অনুভব করায় পরিবারের সন্দেহ হয়। এরপর তারা মেয়েটিকে স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। সেখানেই চিকিৎসকরা নাবালিকার গর্ভাবস্থার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পরিবার ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে ওই নাবালিকাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে সে যমজ সন্তানের জন্ম দেয়। তবে জন্ম নেওয়ার পরেই শিশু দুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। চিকিৎসকদের দীর্ঘ প্রচেষ্টার পরেও একটি শিশুর মৃত্যু হয়। অন্য শিশুটির চিকিৎসা চলছে এবং তার শারীরিক অবস্থার ওপর নজর রাখা হচ্ছে।
হাসপাতাল থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। নাবালিকার বয়ান এবং চিকিৎসকদের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
উল্লেখ্য, এর আগে চলতি বছরের জুলাই মাসে কর্ণাটকের হুব্বলিতেও অনুরূপ একটি ঘটনা ঘটেছিল। সেখানে ১৪ বছরের এক কিশোরী বাড়িতেই সন্তান প্রসব করার পর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল, যা নিয়ে দেশজুড়ে শোরগোল পড়েছিল। অপ্রাপ্তবয়স্কদের ওপর এই ধরনের অপরাধ এবং সুরক্ষার প্রশ্নটি আবারও জোরালোভাবে সামনে এনেছে সুরজপুরের এই সাম্প্রতিক ঘটনা।