সল্টলেকের গেস্ট হাউসে তরুণীকে ধর্ষণ! মুম্বই থেকে গ্রেফতার বীরভূমের অভিযুক্ত পুলিশ সাব-ইন্সপেক্টর

সল্টলেকের একটি গেস্ট হাউসে ডেকে এনে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল বীরভূমের এক পুলিশ সাব-ইন্সপেক্টরের বিরুদ্ধে। দীর্ঘ তল্লাশি ও মোবাইলের লোকেশন ট্র্যাক করে শেষ পর্যন্ত মুম্বই থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে বিধাননগর পূর্ব থানার পুলিশ। ট্রানজিট রিমান্ডে তাঁকে কলকাতায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

ধৃত পুলিশকর্মীর নাম আজমল হক। তিনি বীরভূমের নলহাটি থানায় সাব-ইন্সপেক্টর পদে কর্মরত ছিলেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত জুলাই মাসে বিধাননগর পূর্ব থানায় এক তরুণী লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, নলহাটি থানার ওই সাব-ইন্সপেক্টর তাঁকে সল্টলেকের সিএল ব্লকের একটি গেস্ট হাউসে নিয়ে যান এবং সেখানে তাঁকে ধর্ষণ করা হয়।

অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরই মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে বিধাননগর পূর্ব থানার পুলিশ। গ্রেফতারি এড়াতে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে আগাম জামিনের চেষ্টা করেছিলেন অভিযুক্ত। কিন্তু তদন্ত এগোতেই পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে এলাকা ছেড়ে গা-ঢাকা দেন আজমল। শুধু রাজ্যেই নয়, ভিন রাজ্যেও আত্মগোপন করেন তিনি।

বিধাননগর পুলিশের এক কর্তা জানান, অভিযুক্তের মোবাইল ফোনের অবস্থান এবং গোপন সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে মুম্বইয়ে তাঁর লুকিয়ে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এরপর বিধাননগর পূর্ব থানার একটি বিশেষ দল মুম্বইয়ে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে। স্থানীয় আদালতে ট্রানজিট রিমান্ডের আবেদন মঞ্জুর হওয়ার পর তাঁকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতকে বিধাননগর মহকুমা আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে। ঘটনার দিন গেস্ট হাউসে ঠিক কী ঘটেছিল, অভিযুক্ত ও অভিযোগকারিণীর মধ্যে আগে থেকে কী সম্পর্ক ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি, গেস্ট হাউসের রেজিস্টার ও সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে চলেছেন তদন্তকারীরা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *