মাছে-ভাতে বাঙালির পাতে আজই রাখুন ধনেপাতার স্পেশাল রুই! রইল সহজ রেসিপি

‘মাছে-ভাতে বাঙালি’ বলতেই সবার আগে চোখের সামনে ভেসে ওঠে গরম ভাত আর ধোঁয়া ওঠা রুই কিংবা কাতলার ঝোল। কিন্তু রোজকার সেই একই স্বাদের মাছের ঝোল খেয়ে অনেকেরই আর মন ভরতে চায় না। আপনিও যদি রুই মাছের একঘেয়ে পদ খেয়ে বোর হয়ে যান, তবে আর চিন্তা নেই! আজ আপনাদের জন্য রইল একেবারে নতুন স্বাদের একটি রেসিপি, যা কম সময়ে খুব সহজেই বানিয়ে ফেলতে পারবেন।

অল্প উপকরণেই বানিয়ে ফেলুন সুস্বাদু ‘ধনেপাতা রুই’
বাঙালি আর মাছের সম্পর্ক চিরকালীন। ছুটির দিন হোক কিংবা সাধারণ একটা দুপুর—পাতে মাছ না থাকলে ভুরিভোজ যেন ঠিক জমে না। তবে একঘেয়ে ঝাল-ঝোল পছন্দ না হলে ফ্রিজে থাকা রুই মাছ দিয়েই বানিয়ে ফেলতে পারেন সুস্বাদু ‘ধনেপাতা রুইয়ের ঝোল’। জেনে নিন এর সহজ প্রণালী:

প্রয়োজনীয় উপকরণ
রুই মাছ: ৪০০ গ্রাম

সরষের তেল: আধ কাপ

হলুদ গুঁড়ো: ১ চা চামচ

ধনেপাতা পেস্ট: ৪ আঁটি

কাঁচালঙ্কা বাটা: ৩টি

চেরা কাঁচালঙ্কা: ৪টি

লেবুর রস: ১ টেবিল চামচ

নুন: স্বাদমতো

রান্নার প্রণালী
১. মাছ প্রস্তুত ও ভাজা: প্রথমে রুই মাছের টুকরোগুলো ভালো করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিন। এরপর মাছগুলোতে পরিমাণমতো নুন ও হলুদ গুঁড়ো মাখিয়ে কড়াইতে তেল গরম করে লালচে করে ভেজে তুলে রাখুন।

২. মশলা কষানো: মাছ ভাজার পর কড়াইয়ের বাকি তেলেই বেটে রাখা ধনেপাতা, কাঁচালঙ্কা বাটা, সামান্য হলুদ গুঁড়ো এবং স্বাদমতো নুন একসঙ্গে দিয়ে ভালো করে কষাতে থাকুন। মশলা থেকে তেল ছাড়লে বুঝবেন কষানো সম্পন্ন হয়েছে।

৩. ঝোল তৈরি: মশলা ভালোভাবে কষানো হয়ে গেলে তাতে পরিমাণমতো জল দিয়ে দিন। ঝোল ফুটে উঠলে তাতে ভেজে রাখা মাছগুলো একে একে ছেড়ে দিন। ঝালের জন্য ওপর থেকে চেরা কাঁচালঙ্কাগুলো ছড়িয়ে দিন।

৪. পরিবেশন: ঝোল ঘন হয়ে এলে এবং মাছের ভেতর মশলা ভালোভাবে ঢুকে গেলে নামানোর আগে সামান্য লেবুর রস ও উপর থেকে কিছুটা কুচানো ধনেপাতা ছড়িয়ে নামিয়ে নিন। ব্যাস, তৈরি আপনার দারুণ সুস্বাদু ও সুবাসিত ‘ধনেপাতা দিয়ে রুই মাছের ঝোল’। গরম গরম ভাতের সঙ্গে এটি পরিবেশন করলে পরিবারের সবাই চেটেপুটে খেতে বাধ্য!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *