‘বন্দে মাতরমের প্রতি ঘৃণা!’ স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান বয়কট করায় রাহুল-খাড়গেকে চরম আক্রমণ বিজেপির

দেশজুড়ে অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার সঙ্গে উদযাপিত হলো ৮০তম স্বাধীনতা দিবস। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লালকেল্লায় ত্রিবর্ণ পতাকা উত্তোলন করে জাতির উদ্দেশে ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। এই বর্ণাঢ্য আয়োজনের সাক্ষী ছিলেন হাজার হাজার মানুষ। তবে এদিনের এই রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী এবং রাজ্যসভার বিরোধীদলীয় নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গের অনুপস্থিতি এক নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিরোধী শিবিরের শীর্ষ দুই নেতার এই অনুপস্থিতিকে ঘিরে তীব্র সমালোচনায় মুখর হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)।

বিজেপি নেতৃত্বের কড়া সমালোচনা

স্বাধীনতার সুবর্ণ উদযাপনের এই দিনে বিরোধী নেতাদের অনুপস্থিতির বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি শাসক দল। বিজেপি নেতারা এই ঘটনাকে নেহাতই সাধারণ অনুপস্থিতি হিসেবে দেখতে নারাজ, বরং একে সরাসরি ‘নকশাল মানসিকতা’র প্রতিফলন বলে দাবি করেছেন।

বিজেপি মুখপাত্র প্রদীপ ভান্ডারি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি তীব্র আক্রমণাত্মক পোস্ট শেয়ার করে রাহুল গান্ধীর মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি জানতে চান, একজন দায়িত্বশীল বিরোধীদলীয় নেতা বা সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তি কীভাবে স্বেচ্ছায় এমন একটি জাতীয় উৎসবের অনুষ্ঠান থেকে দূরে থাকতে পারেন? প্রদীপ ভান্ডারির দাবি, অনুষ্ঠানে রাহুল গান্ধীর এই দূরত্ব বজায় রাখা প্রকারান্তরে ‘বন্দে মাতরম’-এর প্রতি এক ধরনের চরম অনীহা বা ঘৃণারই বহিঃপ্রকাশ।

তীব্র আক্রমণ শানিয়ে তিনি আরও মন্তব্য করেন যে, বর্তমান ভূমিকা পালনের জন্য রাহুল গান্ধী আদতে সম্পূর্ণ অযোগ্য এবং তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গি ও চিন্তাভাবনা পুরোপুরি নকশালপন্থীদের সঙ্গে মিলে যায়। স্বাধীনতা দিবসের মতো পবিত্র দিনে এই রাজনৈতিক কোন্দল ও তরজা ঘিরে বর্তমানে রাজধানী দিল্লির রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *