পোশাক পরে আসা মানা! মাসের প্রথম সোমবার নগ্ন হয়ে খাবার খাওয়ার অফার দিয়ে তুমুল জনপ্রিয় এই রেস্তোরাঁ

আর পাঁচটা সাধারণ রেস্তোরাঁর মতোই এটি একটি রেস্তোরাঁ, যেখানে প্রতিদিন বহু মানুষ খেতে আসেন। রেস্তোরাঁর কর্মীদের মধ্যে পেশাদারিত্বের বা সেবার কোনো কমতি নেই। কিন্তু প্রতি মাসের প্রথম সোমবারকে সামনে রেখেই রকেটের গতিতে এই রেস্তোরাঁর জনপ্রিয়তা আকাশ ছুঁয়ে ফেলেছে। বর্তমানে এই অভিনব উদ্যোগের কারণে রেস্তোরাঁটির নাম সকলের মুখে মুখে ঘুরছে এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও এটি জায়গা করে নিয়েছে। এ সবই সম্ভব হয়েছে তাদের মাসের ওই বিশেষ একদিনের এক অদ্ভুত ও তাক লাগানো চমকের সুবাদে।
নগ্ন হয়ে খাবার খাওয়ার অভিনব নিয়ম
রেস্তোরাঁর মালিকের ঘোষণা অনুযায়ী, প্রতি মাসের প্রথম সোমবার যাঁরই এই রেস্তোরাঁয় খেতে আসবেন, তাঁদের গায়ে কোনো পোশাক পরতে হবে না! অর্থাৎ অতিথিরা চাইলে সম্পূর্ণ ‘সুতোবিহীন দেহে’ বা নগ্ন হয়ে টেবিলে বসে প্রিয়জনের সঙ্গে খোশগল্প করতে করতে নিশ্চিন্তে সুস্বাদু খাবার উপভোগ করতে পারবেন। পোশাকহীন অবস্থায় খেতে আসা এই অতিথিদের যাতে কোনো রকম অস্বস্তিতে পড়তে না হয়, তা নিশ্চিত করেছেন স্বয়ং মালিক। এমনকি রেস্তোরাঁর কর্মীরাও যাতে নগ্ন অতিথিদের কোনো আলাদা চোখে না দেখেন, তার জন্য কর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ বা তালিম দেওয়া হয়েছে।
কোথায় অবস্থিত এই রেস্তোরাঁ?
আমেরিকার ফ্লোরিডার বিখ্যাত ‘ক্লাস’ (CLAS) নামক এই রেস্তোরাঁটি তাদের এই ব্যতিক্রমী ও সাহসী ভাবনার মাধ্যমেই বাকি সমস্ত রেস্তোরাঁকে পিছনে ফেলে দিয়েছে। এই রেস্তোরাঁর মালিক নিজে পেশায় একজন দক্ষ শেফও বটে।
নিরাপত্তার কড়া নিয়ম
পোশাকহীন অবস্থায় খেতে বসা অতিথিদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে মালিক একটি কঠোর নিয়মও চালু করেছেন। নিয়ম অনুযায়ী, নগ্ন অতিথিরা নিজেদের মতো করে নিশ্চিন্তে খাওয়া-দাওয়া করতে পারবেন, তবে কেউ কাউকে বিনা অনুমতিতে স্পর্শ করতে পারবেন না।
রেস্তোরাঁর মালিক নিজেই স্বীকার করেছেন যে, তাঁর রেস্তোরাঁকে বাকি দশটা সাধারণ জায়গা থেকে আলাদা করতে এবং মানুষের মুখে মুখে এর নাম ছড়িয়ে দিতেই তিনি এই পোশাকহীন অবস্থায় খাওয়ার সুবিধা দেওয়ার অত্যন্ত সাহসী ভাবনাটি বাজারে এনেছিলেন।