জন্মাষ্টমী স্পেশ্যাল: ভোগের থালায় থাকুক রাবড়ি-মালপোয়া! রইল সহজ রেসিপি

যে কোনও পুজো-পার্বণ হোক কিংবা শুভ অনুষ্ঠান— মিষ্টিমুখ ছাড়া বাঙালির উৎসব যেন অসম্পূর্ণ। সামনেই জন্মাষ্টমী। নাড়ু গোপালের আরাধনায় পায়েস, তালের বড়া, লুচির পাশাপাশি কৃষ্ণের অন্যতম প্রিয় ভোগ হিসেবে মালপোয়ার জুড়ি মেলা ভার। আর তার সঙ্গে যদি থাকে সুস্বাদু রাবড়ির ছোঁয়া, তবে তো কথাই নেই! উৎসবের এই দিনে বাড়ির তৈরি সুস্বাদু মালপোয়ায় কীভাবে মন জয় করবেন সবার, জেনে নিন তার স্টেপ-বাই-স্টেপ রেসিপি।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
-
ব্যাটার তৈরির জন্য: * আটা বা ময়দা – ১ কাপ
-
খোয়া ক্ষীর – ১/২ কাপ
-
মৌরি গুঁড়ো – ১/৪ চা চামচ
-
এলাচ গুঁড়ো – ১/২ চামচ
-
চিনি – ১ টেবিল চামচ
-
দুধ – ২ কাপ
-
নুন – স্বাদমতো
-
ঘি – ১/২ কাপ (ভাজার জন্য)
-
আমন্ড কুচি – ৮-১০টি (গরম জলে ভিজিয়ে খোসা ছাড়ানো)
-
পেস্তা কুচি – ২ টেবিল চামচ
-
জাফরান – সামান্য
-
-
চিনির রসের জন্য:
-
চিনি – ৩/৪ কাপ
-
জল – ১/৩ কাপ
-
এলাচ গুঁড়ো – ১/৪ চা চামচ
-
জাফরান – সামান্য
-
বানানোর সহজ পদ্ধতি
১. ক্ষীর ও ব্যাটার তৈরি: প্রথমে ২ কাপ দুধ কম আঁচে ফুটিয়ে দেড় কাপ করে নিন। এরপর আঁচ বন্ধ করে দুধ স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখুন। একটি পাত্রে খোয়া ক্ষীর এবং ফোটানো দুধের অর্ধেকটা ভালো করে মিশিয়ে নিন।
২. মসৃণ মিশ্রণ প্রস্তুত করা: এবার ওই মিশ্রণে মৌরি গুঁড়ো, এলাচ গুঁড়ো, চিনি, স্বাদমতো নুন এবং সামান্য জাফরান মিশিয়ে দিন। এরপর এতে অর্ধেক আটা বা ময়দা দিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে নিন যাতে কোনও দলা পেকে না থাকে। এবার বাকি আটা এবং একটু একটু করে বাকি দুধ মিশিয়ে একটি মসৃণ ব্যাটার তৈরি করুন। মিশ্রণটি ৩-৪ মিনিট ভালো করে ফেটিয়ে একপাশে রেখে দিন।
৩. চিনির রস তৈরি: একটি পাত্রে জল ও চিনি একসঙ্গে মিশিয়ে আঁচে বসান। হালকা আঁচে ১০-১২ মিনিট ফুটিয়ে চটচটে রস তৈরি করুন। এরপর এলাচ গুঁড়ো ও সামান্য জাফরান মিশিয়ে আঁচ বন্ধ করে দিন।
৪. ভাজা ও পরিবেশন: একটি কড়াইতে ঘি গরম করে নিন। চামচে করে ব্যাটার গরম ঘিতে ছেড়ে মালপোয়ার আকারে ভেজে নিন। মালপোয়ার পিঠ সোনালি ও মচমচে হয়ে এলে তেল বা ঘি থেকে তুলে সরাসরি চিনির রসে ডুবিয়ে দিন। ২ মিনিট রসে ভালো করে ভিজিয়ে নেওয়ার পর তুলে প্লেটে সাজিয়ে নিন।
শেষে ওপর থেকে রাবড়ি, আমন্ড কুচি, পেস্তা ও জাফরান ছড়িয়ে পরিবেশন করুন জন্মাষ্টমীর এই রাজকীয় মালপোয়া ভোগ!