সাবা নয় অন্য কাউকে! মুম্বইয়ে কোটি টাকার সম্পত্তি ভাড়া দিয়ে প্রতি মাসে কত লাখ পকেটে পুরছেন হৃত্বিক? জানলে চমকে যাবেন!

অভিনেতা হিসাবে পর্দায় ঝড় তোলার পাশাপাশি ব্যবসার খেলায় যে তিনি কতটা দূরদর্শী, তা আরও একবার প্রমাণ করলেন হৃত্বিক রোশন। এর আগে নিজের বিলাসবহুল ফ্ল্যাট ভাড়া দিয়ে খবরের শিরোনামে এসেছিলেন অভিনেতা, আর এবার এক বিশাল কমার্শিয়াল প্রপার্টি ভাড়া দিয়ে তাক লাগিয়ে দিলেন তিনি। শুধু তাই নয়, এই এক চুক্তি থেকেই প্রতি মাসের শুরুতেই তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে যে টাকা ঢুকবে, তার অঙ্কটা শুনলে চোখ কপালে উঠতে বাধ্য!
মুম্বইয়ের প্রাইম লোকেশনে কমার্শিয়াল স্পেস ভাড়া দিয়ে এখন মাসে কড়কড়ে ১৭ লাখ টাকা পকেটে পুরছেন বলিউডের এই ‘গ্রিক গড’। প্রপার্টি সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহকারী সংস্থা সিআরই ম্যাট্রিক্স (CRE Matrix)-এর পাওয়া রেজিস্ট্রেশনের নথি অনুযায়ী, মুম্বইয়ের আন্ধেরি ওয়েস্টের নিউ লিঙ্ক রোডে অবস্থিত ‘লোটাস নীলকমল বিজনেস পার্ক’-এ হৃত্বিকের একটি বড়সড় প্রপার্টি রয়েছে।
বহুতলের ওপরের দিকে অবস্থিত এই কমার্শিয়াল স্পেসটি প্রায় ৬ হাজার বর্গফুটের। এর মধ্যে রয়েছে মোট ৭টি কমার্শিয়াল ইউনিট এবং বোনাস হিসেবে ৭টি কার পার্কিং স্পেস। পুরো প্রপার্টিটিই আগামী পাঁচ বছরের এক দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিতে ভাড়া দেওয়া হয়েছে।
কাকে দেওয়া হল এই প্রপার্টি?
চুক্তির কাগজ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ‘ক্লিয়ারসিন্থ ল্যাবস লিমিটেড’ নামের একটি সংস্থাকে এই জায়গাটি ভাড়া দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের (২০২৬) ১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই চুক্তি বহাল থাকবে ২০৩১ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত।
চুক্তির শর্তানুযায়ী:
প্রথম তিন বছর অর্থাৎ ২০২৯ সালের মার্চ পর্যন্ত হৃত্বিক প্রতি মাসে ১৭ লাখ টাকা করে ভাড়া পাবেন।
পরবর্তী শেষ দু’বছরে এই ভাড়ার অঙ্ক একলাফে বেড়ে দাঁড়াবে মাসে ১৯.৫৫ লাখ টাকায়!
ডিল পাকা করতে ওই সংস্থা ইতিমধ্যেই ৬৮ লাখ টাকার সিকিউরিটি ডিপোজিট জমা দিয়েছে।
রিয়েল এস্টেটে হৃত্বিকের বিনিয়োগ প্রীতি
প্রপার্টিতে বিনিয়োগ করার এই অভ্যাস হৃত্বিকের অবশ্য নতুন নয়। টাকা কোথায় খাটালে সবচেয়ে বেশি লাভ পাওয়া যায়, তা অভিনেতা বেশ ভালোই বোঝেন। এর আগে বাবা রাকেশ রোশনের সংস্থা ‘এইচআরএক্স ডিজিটেক এলএলপি’ এবং মা প্রমীলা রোশনের সংস্থা ‘ফিল্মকুঞ্জ বম্বে প্রাইভেট লিমিটেড’-এর সঙ্গে হাত মিলিয়ে আন্ধেরি ওয়েস্টে ২৮ কোটি টাকা খরচ করে ১০টি অফিস কিনেছিলেন তিনি। বিনোদন জগতের পাশাপাশি রিয়েল এস্টেট মার্কেটেও তাঁর এই বুদ্ধিদীপ্ত পদক্ষেপ আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে।