OMG! বন্দে ভারতে এল ‘জীবন্ত হৃৎপিণ্ড’, সফল হলো ট্রান্সপ্ল্যান্ট, সুস্থ হলেন রোগী

ভারতীয় রেলের ইতিহাসে যুক্ত হলো এক নতুন ও গৌরবময় অধ্যায়। এই প্রথমবার বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের (Vande Bharat Express) মাধ্যমে সুরাট থেকে আহমেদাবাদে সফলভাবে একটি জীবন্ত হৃৎপিণ্ড (Live Heart) পৌঁছে দেওয়া হলো। শুক্রবার অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে এই হৃৎপিণ্ড আহমেদাবাদের ইউএন মেহতা ইনস্টিটিউট অব কার্ডিওলজি অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার-এ এক রোগীর শরীরে সফলভাবে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। রেলকর্মী, চিকিৎসক দল, রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স (RPF) এবং রাজ্য পুলিশের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই জীবনরক্ষাকারী অভিযান সম্পূর্ণ সফল হয়েছে।
যেভাবে সম্পন্ন হলো এই যুগান্তকারী মিশন
মুম্বই সেন্ট্রাল-গান্ধীনগর ক্যাপিটাল বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের (ট্রেন নম্বর ২০৯০১) মাধ্যমে সুরাট থেকে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে হৃৎপিণ্ডটি আহমেদাবাদে নিয়ে আসা হয়। সুরাটে দাতার (Donor) শরীর থেকে হৃৎপিণ্ডটি সংগ্রহ করার পর তা ট্রেনে তোলা হয়। ট্রেনটি আহমেদাবাদ স্টেশনে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয় মূল চ্যালেঞ্জ।
আহমেদাবাদ রেল স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে হাসপাতাল পর্যন্ত রাস্তার ট্রাফিক এড়াতে একটি বিশেষ ‘গ্রিন করিডর’ (Green Corridor) তৈরি করে গুজরাত পুলিশ এবং আরপিএফ। ফলে বিন্দুমাত্র যানজটে না ফেঁসে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে হৃৎপিণ্ডটি সরাসরি হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই প্রতিস্থাপনের কাজ শুরু হওয়ায় এক রোগীর জীবন রক্ষা পায়।
🚄❤️ भारतीय रेल ने रचा इतिहास!
पहली बार 20901 मुंबई सेंट्रल – गांधीनगर कैपिटल वंदे भारत एक्सप्रेस के माध्यम से सूरत से अहमदाबाद तक जीवित हृदय (Live Heart) का सफलतापूर्वक परिवहन किया गया। यह हृदय यू.एन. मेहता इंस्टीट्यूट ऑफ कार्डियोलॉजी एंड रिसर्च सेंटर, अहमदाबाद में सफल हृदय… pic.twitter.com/BRZ0zSbaTo
— DRM Ahmedabad (@drmadiwr) July 31, 2026
প্রশাসনের উচ্ছ্বাস ও মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা
এই ঐতিহাসিক সাফল্যের পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন রেলকর্তারা। আহমেদাবাদের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার (DRM) বেদ প্রকাশ একে ভারতীয় রেলের জন্য এক গর্বের মুহূর্ত হিসেবে অভিহিত করে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট শেয়ার করেন।
পাশাপাশি, এই মহৎ উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেলও। এক্স (হ্যান্ডেল)-এ তিনি লিখেছেন, “অঙ্গ প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে প্রতিটি সেকেন্ড অত্যন্ত মূল্যবান। বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের উচ্চগতির জন্যই সুরাট থেকে আহমেদাবাদে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে জীবন্ত দাতার হৃৎপিণ্ড পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। যার ফলে এই জীবনরক্ষাকারী উদ্যোগ সফল হয়েছে।”