“ভূরি ভূরি বিয়ের প্রস্তাব”-বিয়ে নিয়ে কী ভাবছেন CJP-র প্রতিষ্ঠাতা? ফাঁস করলেন মা!

নিট (NEET) প্রশ্নফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থার অনিয়মের বিরুদ্ধে দেশজোড়া আন্দোলনের মুখ হিসেবে এই মুহূর্তে গোটা দেশের নজর কাড়ছেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। তাঁর ও তাঁর সংগঠনের আন্দোলনের চাপে একসময় পিছু হটতে বাধ্য হয়েছিল শক্তিশালী কেন্দ্রীয় সরকারও। রাজনীতির ময়দানে তিনি এখন চর্চার কেন্দ্রবিন্দু। ঠিক এই মুহূর্তেই সবার মনে প্রশ্ন, দেশ কাঁপানো এই তরুণ কি তবে এবার বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন? সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে এই বিষয়ে মুখ খুললেন অভিজিতের মা অনীতা দীপকে।
বিয়ে নিয়ে ঠিক কী বলছেন অভিজিৎ?
মায়ের কথা অনুযায়ী, গত দু’বছর ধরেই অভিজিতের জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভূরি ভূরি বিয়ের প্রস্তাব আসছে। আত্মীয়-স্বজন থেকে শুরু করে শুভানুধ্যায়ীদের উৎসাহেরও কোনো কমতি নেই। কিন্তু বিয়ে নিয়ে আপাতত কোনো আগ্রহই নেই অভিজিতের। তাঁর পরিষ্কার জবাব— আগে পড়াশোনা শেষ করে নিজের পায়ে দাঁড়াবেন, তারপর বিয়ের কথা ভাববেন। বর্তমানে আমেরিকার বস্টন ইউনিভার্সিটিতে ‘পাবলিক রিলেশনস’ নিয়ে পড়াশোনা করছেন অভিজিৎ। পেশাগত ও রাজনৈতিক ব্যস্ততার মাঝেও পড়াশোনাকেই নিজের প্রথম অগ্রাধিকার হিসেবে রেখেছেন তিনি।
অসুস্থতা ও রাজনৈতিক লড়াই
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে টানা আন্দোলনের সময় টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়েছিলেন অভিজিৎ। তবে সেই অসুস্থতাকেও তোয়াক্কা না করে তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার খবর সামনে আসতেই সোজা ধর্না মঞ্চে ছুটে যান এবং সহযোদ্ধাদের সঙ্গে উল্লাসে ফেটে পড়েন। বর্তমানে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে তিনি ফের সিজেপির আন্দোলনের হাল ধরেছেন।
গত শনিবার ৩৬ দিনের আন্দোলন সাময়িক স্থগিত রাখার ঘোষণা করলেও, সোমবার থেকেই ফের কেন্দ্রকে আলটিমেটাম দেয় সিজেপি। তাদের প্রধান দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে—
-
আন্দোলনকারীদের ওপর থেকে সমস্ত এফআইআর প্রত্যাহার করা।
-
ধৃত আন্দোলনকারীদের নিঃশর্ত মুক্তি।
-
ভবিষ্যতে নতুন করে কোনো আইনি পদক্ষেপ না করার লিখিত আশ্বাস।
মঙ্গলবার সিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় যে, সুপ্রিম কোর্টের অন্তর্বর্তী নির্দেশকে সামনে রেখে কেন্দ্র তাদের প্রতিশ্রুতি এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছে। তাই দাবি না মানলে শুধু দিল্লি নয়, সারা দেশেই পুনরায় বড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন অভিজিৎ। সব মিলিয়ে, সাতপাকের বন্ধনে জড়ানোর চেয়ে আপাতত দেশের রাজপথ ও আন্দোলনের ব্যানারই তাঁর একমাত্র সঙ্গী।