ডানহাতে কাজ, তবুও কেন বাঁহাতে ঘড়ি পরেন অধিকাংশ মানুষ? আসল কারণ জানলে অবাক হবেন

একটা নির্দিষ্ট বয়সের পর হাতঘড়ি যেন ব্যক্তিত্বের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে ওঠে। যদিও এখনকার স্মার্টফোনের যুগে সময় দেখার জন্য ঘড়ির ওপর নির্ভরতা কমেছে, তবুও কবজিতে ঘড়ি পরার অভ্যাস মানুষ পুরোপুরি ত্যাগ করতে পারেননি।
সাধারণত দেখা যায়, ডানহাতি মানুষরা বাঁহাতে ঘড়ি পরেন এবং বাঁহাতিরা ডানহাতে। যেহেতু পৃথিবীতে ডানহাতি মানুষের সংখ্যাই বেশি, তাই বাঁহাতে ঘড়ি পরার দৃশ্যটাই বেশি চোখে পড়ে। নতুন প্রজন্ম বড়দের দেখাদেখি বা এটিই নিয়ম মনে করে বাঁহাতে ঘড়ি পরা শুরু করে। কিন্তু এর পেছনে কি কোনো বাস্তবসম্মত কারণ আছে?
বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সারাদিনের ছোট-বড় নানা কাজে ডানহাতের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। তুলনায় বাঁহাতের ব্যবহার অনেক কম। যে হাতটি সারাক্ষণ কর্মব্যস্ত থাকে, সেই হাতে ঘড়ি পরলে তা দেখার ক্ষেত্রে যেমন অসুবিধা হতে পারে, তেমনি কর্মব্যস্ত হাতে ঘড়ি থাকলে চোট খাওয়ার প্রবল সম্ভাবনাও থাকে। এতে সাধের ঘড়িটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
ধরা যাক, কেউ ডানহাতে গ্লাস বা মগ ধরে পান করছেন, এমন সময় হঠাৎ সময় দেখার প্রয়োজন হলো। ডানহাতে ঘড়ি থাকলে তা দেখতে গিয়ে অসাবধানতাবশত গ্লাস উল্টে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটতে পারে।
মূলত, কাজের হাতকে নিরাপদ রাখতে এবং কাজের ফাঁকে সহজে সময় দেখার সুবিধার্থেই বাঁহাতে ঘড়ি পরার প্রচলন শুরু হয়েছিল। কালের বিবর্তনে যা এখন কার্যত একটি নিয়মে পরিণত হয়েছে।