মিউচুয়াল ফান্ডের বাইরেও রয়েছে কোটিপতিদের আয়ের পথ! জানুন অল্টারনেট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের নানা দিক

সাধারণ মিউচুয়াল ফান্ড সাধারণ মানুষের থেকে মূলধন সংগ্রহ করে বাজারে বিনিয়োগ করলেও, আধুনিক বিনিয়োগের দুনিয়ায় অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে অল্টারনেট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড (Alternative Investment Fund বা AIF)। সাধারণত বিত্তবান ব্যক্তি বা উচ্চবিত্ত পরিবারের গোষ্ঠীগুলির মাধ্যমেই এই তহবিল সংগ্রহ করা হয়, যা তুলনামূলকভাবে অত্যন্ত ঝুঁকি সম্পন্ন এবং লাভজনক। সেবি (SEBI) শংসায়িত বিশেষজ্ঞ শমিতা সাহার মতে, এই ধরণের তহবিলে বিনিয়োগ করতে হলে ন্যূনতম ১ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে হয়।
সেবি (SEBI) অনুযায়ী অল্টারনেট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের ক্যাটেগরিগুলি:
-
ক্যাটেগরি ১-AIF: এই প্রকৃতির তহবিল সাধারণত নতুন ব্যবসা, রাজ্যের পরিকাঠামো, স্টার্ট-আপ এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের ব্যবসায় বিনিয়োগ করে থাকে। এর মধ্যে এঞ্জেল ফান্ড, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ড, ইনফ্রা ফান্ড, সোশ্যাল ভেঞ্চার ফান্ড ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। এই বিনিয়োগগুলি দীর্ঘমেয়াদি (কমপক্ষে ৭-১০ বছর) এবং এতে তারল্যের (লিকুইডিটি) অভাব থাকে।
-
ক্যাটেগরি ২ AIF: যে কোম্পানিগুলির স্টক এক্সচেঞ্জে শেয়ার কেনাবেচা হয় না বা যাদের আইপিও (IPO) হয়নি, সেখানে এই তহবিল কাজ করে। প্রাইভেট ইক্যুইটি, ডেট ফান্ড, রিয়েল এস্টেট ফান্ড ইত্যাদি এর অধীন। আর্থিক সঙ্কটগ্রস্ত বা ঋণ পরিশোধে অক্ষম কোম্পানির সম্পদ ঋণপত্রের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীর কাছে পৌঁছানো হয়। এর মেয়াদ সাধারণত ৪-৮ বছর হয়ে থাকে।
-
ক্যাটেগরি ৩ AIF: এই তহবিল জটিল ও অতিশয় লেভারেজের ব্যবহার করে ডেরিভেটিভ বা ফাটকা বাজারে বিনিয়োগ করে অতিরিক্ত রিটার্ন দেওয়ার চেষ্টা করে। ‘লেভারেজ’-এর অর্থ হল টাকা ধার নিয়ে বিনিয়োগ করা। এর ফলে লাভের সম্ভাবনা যেমন বেশি, তেমনই লোকসানের মাত্রাও অনেক গুণ বেশি হতে পারে। পাইপ ফান্ডস (পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ইন প্রাইভেট ইক্যুইটি) এই ক্যাটেগরির অধীন।