বক্স অফিসে সুনামি! উইকেন্ড পার হয়েও ম্যাজিক অব্যাহত ক্রিস্টোফার নোলানের ‘দ্য ওডিসি’-র!

প্রখ্যাত পরিচালক ক্রিস্টোফার নোলানের লেটেস্ট সিনেমা ‘দ্য ওডিসি’ ভারতীয় বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে। উইকেন্ডের গণ্ডি পেরিয়ে সপ্তাহের মাঝেও ছবির বক্স অফিস কালেকশনে কোনো ভাটা পড়েনি। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, মুক্তির পঞ্চম দিনে ছবিটি প্রায় ৮.৩৫ কোটি টাকা নেট আয় করেছে, যা ঠিক আগের দিন অর্থাৎ সোমবারের ৮ কোটি টাকার সংগ্রহের থেকেও কিছুটা বেশি। এর ফলে ভারতে ছবিটির মোট নেট কালেকশন গিয়ে ঠেকেছে প্রায় ৭৭.৬৫ কোটি টাকায় এবং গ্রস কালেকশন ছাড়িয়ে গেছে ৯২.৬ কোটি টাকার গণ্ডি। সপ্তাহের মাঝের দিনেও এমন তুঙ্গে থাকা বক্স অফিস কালেকশন প্রমাণ করছে যে ভারতীয় দর্শকদের মনে নোলানের এই ছবি নিয়ে উন্মাদনা ঠিক কোন পর্যায়ে রয়েছে।
দুর্দান্ত ওপেনিং ও উইকেন্ড কালেকশন
ইউনিভার্সাল পিকচার্সের এই ছবি বক্স অফিসে অভাবনীয় শুরু করেছিল। প্রথম উইকেন্ডেই ছবির মোট আয় ছাড়িয়েছিল ৬১ কোটি টাকার গণ্ডি।
শুক্রবার: ১৭.৪ কোটি টাকা
শনিবার: ২২ কোটি টাকা
রবিবার: ২১.৯ কোটি টাকা
কোন সংস্করণের চাহিদা সবচেয়ে বেশি?
অনন্য এই সৃষ্টি দেখতে প্রেক্ষাগৃহে উপচে পড়ছে ভিড়। সমস্ত ভাষার মধ্যে ছবিটির ইংরেজি সংস্করণটিই সবচেয়ে বেশি ব্যবসা করছে। বিশেষ করে মঙ্গলবারেও একাই প্রায় ৬.৫ কোটি টাকা আয় করেছে ইংরেজি ভার্সনটি। যদিও হিন্দি, তামিল এবং তেলুগু ডাব করা সংস্করণগুলিও ভালো ব্যবসা করছে, তবুও সব দিক থেকে ইংরেজি সংস্করণটিই বাকিদের চেয়ে অনেক এগিয়ে রয়েছে।
আইম্যাক্স (IMAX) মার্কেটে ইতিহাস
ইতিমধ্যেই ভারতের আইম্যাক্স মার্কেটে নতুন ইতিহাস গড়েছে ‘দ্য ওডিসি’। এটিই দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ওপেনিং পাওয়া আইম্যাক্স চলচ্চিত্র। ছবির প্রথম উইকেন্ডের ব্যবসার একটি বিরাট অংশ এসেছে এই প্রিমিয়াম স্ক্রিনগুলি থেকেই। শুধু ভারতেই নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও উত্তর আমেরিকা সহ বিভিন্ন দেশে আইম্যাক্সে অসাধারণ ব্যবসা করছে ছবিটি।
পরবর্তী চ্যালেঞ্জ ও লক্ষ্য
ক্রিস্টোফার নোলান, ইউনিভার্সাল পিকচার্স এবং জুলাই মাসে মুক্তি পাওয়া ছবির ক্ষেত্রে এটি একটি নতুন রেকর্ড। আগামী সপ্তাহের ছুটির দিনগুলির জন্য অগ্রিম বুকিংও বেশ ভালো চলছে। সব মিলিয়ে ভারতের বাজারে খুব দ্রুত ১৫০ কোটি টাকার ক্লাবের দিকে এগোচ্ছে এই সিনেমা। তবে আগামী ৩০ জুলাই বড়পর্দায় ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ মুক্তি পেলে ‘দ্য ওডিসি’-র ব্যবসার গতি কিছুটা কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে বলেই মনে করছেন ট্রেড অ্যানালিস্টরা।