“জনতাকে উসকানি দেওয়ার প্রমাণ কই?” চণ্ডীগড় বিক্ষোভ মামলায় পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীকে বড় স্বস্তি দিল শীর্ষ আদালত!

২০ ২০২০ সালে চণ্ডীগড়ে বিদ্যুতের শুল্ক বৃদ্ধির বিরুদ্ধে হওয়া বিক্ষোভের মামলায় পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান ও অন্যান্য অভিযুক্তদের স্বস্তি দিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে যে, সেই সময় বিক্ষোভকারী জনতাকে উসকানি দেওয়ার সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ মানের বিরুদ্ধে নেই।

প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল এম. পাঞ্চোলির সমন্বয়ে গঠিত একটি বেঞ্চ এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছে। আগামী ৩০শে জুলাই চণ্ডীগড় প্রশাসনের আপিলের পরবর্তী শুনানি হবে। উল্লেখ্য, এই মামলায় মান ও অন্যদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এফআইআর বাতিল করে দিয়েছিল পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট, যে নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে চণ্ডীগড় প্রশাসন।

“শুধুমাত্র উপস্থিতি কীভাবে ফৌজদারি ষড়যন্ত্র হয়?”

শুনানির সময় বেঞ্চের অন্যতম বিচারক বিচারপতি বাগচি প্রশ্ন তোলেন, ঘটনাস্থলে শুধুমাত্র ভগবন্ত মান ও অন্যদের উপস্থিতি কীভাবে ফৌজদারি ষড়যন্ত্রের ভিত্তি হতে পারে? বেঞ্চ দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলে, “জনতাকে উসকানি দেওয়ার জন্য মান অভিযুক্ত নন।” অন্যদিকে, প্রশাসনের পক্ষে হাজির আইন কর্মকর্তা দাবি করেন যে, বিক্ষোভকারীদের উসকানি দেওয়া হয়েছিল তা প্রমাণ করার মতো যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ রয়েছে। তবে প্রধান বিচারপতি জানান যে, এই আবেদনগুলির বিস্তারিত শুনানি হবে আগামী ৩০ জুলাই। একই দিনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দায়ের করা অন্য আরেকটি আবেদনও শুনানির তালিকায় রয়েছে।

এর আগে কী জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট?

এর আগেও এই মামলার শুনানিতে বেঞ্চ স্পষ্ট করে দিয়েছিল যে, ২০২০ সালের বিদ্যুতের শুল্ক বৃদ্ধির প্রতিবাদে মান এবং আম আদমি পার্টির (AAP) অন্যান্য নেতাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এফআইআর খারিজ করার হাইকোর্টের সিদ্ধান্তে তারা কোনো রকম হস্তক্ষেপ করতে আগ্রহী নয়। সেই সময় প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেছিলেন, “গণতন্ত্রে সবাই স্লোগান দেয়। এখন যেহেতু তিনি (মান) একটি দায়িত্বপূর্ণ পদে আসীন রয়েছেন, আমরা পূর্ণ বিশ্বাস করি যে তিনি তাঁর দায়িত্ব যথাযথভাবে বুঝতে পারবেন।”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *