‘আমার দলের প্রতীক কেড়ে নেবেন…’ একুশের শহিদ দিবসের মঞ্চে বিস্ফোরক দাবি মমতার!

৪ টুকরো হয়ে যাওয়া একুশের সমাবেশেও বসল তৃণমূলের মেগা ইভেন্ট। বিড়লা প্লানেটরিয়ামের কাছে এদিন অন্যান্য বছরের তুলনায় কিছুটা জমায়েত কম হলেও দলের হেভিওয়েট ও তারকা নেতাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। রাজীব কুমার, বাবুল সুপ্রিয়, কুণাল ঘোষ, প্রতিমা মণ্ডল, কীর্তি আজাদ থেকে শুরু করে সাগরিকা ঘোষ— সকলেই উপস্থিত ছিলেন এদিনের মঞ্চে। কর্মীদের দলের ‘সোনার খনি’ বলে অভিহিত করলেও, ২১ জুলাইয়ের এই ঐতিহাসিক মঞ্চ থেকেই মমতার গলায় শোনা গেল দলের ‘সিম্বল’ বা প্রতীক কেড়ে নেওয়ার আশঙ্কা!
শহিদ পরিবারের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে এদিন নিজের বক্তব্য শুরু করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শহিদ পরিবারগুলির অবদান স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘‘প্রথমেই আমি ২১ জুলাইয়ের শহিদ পরিবারের সদস্যদের সামনে মাথা নত করে শ্রদ্ধা জানাতে চাই। অসংখ্য প্রলোভন, টাকার প্রস্তাব, অপমান এবং বঞ্চনার মুখেও তাঁরা আমাদের ছেড়ে যাননি। অটুট বিশ্বাস নিয়ে তাঁরা আমাদের পাশে থেকেছেন।’’
এর পাশাপাশি, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কর্মীদের জেল বা দমনপীড়নকে ভয় না পাওয়ার ডাক দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘‘আমি সবাইকে আরও একটা কথা বলতে চাই, জেলকে ভয় পাবেন না। কেউ সত্যিই অপরাধ করে থাকলে, আইন তার নিজের পথে চলবে। কিন্তু গণতান্ত্রিক কণ্ঠস্বর স্তব্ধ করার জন্য যদি জেলকে ব্যবহার করা হয়, তাহলে আমরা ভয় পাব না। যারা নিজেদের বিশ্বাসের জন্য জেলে গিয়েছেন, তাঁরা জানেন, এতে লজ্জার কিছু নেই। প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনেই আত্মত্যাগের প্রয়োজন হয়েছে।’’