পাহাড়ে মেঘের লুকোচুরি! বর্ষায় ভিড় এড়িয়ে ঘুরে আসুন উত্তরবঙ্গের এই ‘গোপন’ স্বর্গে

ক্যালেন্ডারের পাতায় বর্ষা এসে গেছে। বর্ষার পাহাড় মানেই এক মায়াবী রূপ, মেঘেদের লুকোচুরি আর অঝোর ধারায় সবুজের স্নান। যারা এই সময় দার্জিলিং বা কালিম্পংয়ের ভিড় এড়িয়ে নিরিবিলিতে প্রকৃতির কাছাকাছি পৌঁছাতে চান, তাদের জন্য সেরা ঠিকানা হতে পারে উত্তরবঙ্গের ‘অফবিট’ স্বর্গ—সিটং।
কেন বেছে নেবেন সিটং?
জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে যখন পর্যটকদের ঢল নামে, সিটং তখন নিজের আপন মহিমায় শান্ত। পাহাড়ের ঢালে কমলালেবুর বাগান, দিগন্ত বিস্তৃত চা বাগান আর মেঘের চাদরে ঢাকা পাহাড়ের সৌন্দর্য আপনার মন ভালো করে দিতে বাধ্য। সকালের শুরুটা হবে পাখির কলতানে, আর দিনের ক্লান্তি মুছে যাবে সবুজের ছোঁয়ায়।
বন্যপ্রাণের হাতছানি
বর্ষায় সিটংয়ের রূপ যেন আরও কয়েকগুণ বেড়ে যায়। পাহাড়ে মেঘেদের খেলা আর অরণ্যের সতেজতা জায়গাটিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। যারা বন্যপ্রাণী ভালোবাসেন, ভাগ্য ভালো থাকলে তাদের জন্য এখানে রয়েছে হরিণ বা ভাল্লুকের মতো বন্যপ্রাণী দেখার রোমাঞ্চকর সুযোগ। প্রকৃতিপ্রেমী ও ফটোগ্রাফারদের কাছে এই জায়গাটি এক পরম প্রাপ্তি।
কীভাবে পৌঁছাবেন?
কলকাতা থেকে খুব সহজেই পৌঁছানো যায় সিটং-এ:
ট্রেন বা বাস: প্রথমে পৌঁছে যান নিউ জলপাইগুড়ি (NJP) স্টেশনে।
সড়কপথ: এনজেপি থেকে গাড়ি ভাড়া করে মংপু ও সিটং হয়ে খুব সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায় আপনার গন্তব্যে।
সময়: এনজেপি থেকে পাহাড়ি পথে এই যাত্রাপথটি প্রায় ৩ ঘণ্টার। পথে প্রতিটি বাঁকে আপনি পাবেন পাহাড়ের এক অনবদ্য সৌন্দর্য।
শহরের ব্যস্ত জীবন থেকে কয়েকটা দিন দূরে থাকতে চাইলে, বর্ষায় আপনার পরবর্তী গন্তব্য হোক সিটং।