পাঁশকুড়ায় আতঙ্ক! ক্লাস চলাকালীন ভেঙে পড়ল শিশু শিক্ষাকেন্দ্রের দেওয়াল, স্কুল ঘিরে চরম উদ্বেগ

পড়াশোনা করতে এসে বড়সড় বিপদের মুখে দাঁড়িয়ে পড়ল খুদে পড়ুয়ারা। পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার প্রতাপপুর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের কানাসী-কিশোরচক শিশু শিক্ষা কেন্দ্রে ক্লাস চলাকালীন হঠাতই ভেঙে পড়ল একটি দেওয়াল। এই ঘটনায় এলাকায় ছড়িয়েছে তীব্র আতঙ্ক।

ভয়াবহ পরিস্থিতি
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, রোজকার মতোই ক্লাস চলছিল, এমন সময় আচমকা বিকট শব্দে স্কুলের একটি দেওয়াল ধসে পড়ে। শুধু দেওয়াল ভাঙাই নয়, গোটা স্কুলবাড়িটিই একপাশে হেলে গিয়েছে এবং দেওয়ালে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। যে কোনো মুহূর্তে ধসে পড়তে পারে জরাজীর্ণ এই ভবনটি। শিক্ষকদের তৎপরতায় তড়িঘড়ি ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুল চত্বর থেকে বের করে আনা সম্ভব হওয়ায় বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা মিলেছে।

পঠনপাঠন বন্ধের সিদ্ধান্ত
ঘটনার পর কয়েকদিন খোলা আকাশের নিচে ক্লাস নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও, বর্ষার মরসুমে তাও অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে যান পাঁশকুড়া ব্লকের জয়েন্ট বিডিও এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকরা। পরিদর্শন শেষে তাঁরা জানিয়েছেন, স্কুলবাড়িটি বর্তমানে সম্পূর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ। পড়ুয়াদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে অবিলম্বে স্কুল ভবনটি ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বিকল্প কোনো নিরাপদ জায়গায় পঠনপাঠন চালুর প্রক্রিয়া চলছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।

সিলেবাসে পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে মন্তব্য
এদিকে, সাম্প্রতিক এক অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গ দিবসকে পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে দীপক বর্মন জানান, বিষয়টি নিয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, “সিলেবাস কোনো স্ট্যাটিক বা স্থির বিষয় নয়, এটি সবসময় চলমান। সমাজের প্রয়োজন ও সময়ের সাথে সাযুজ্য রেখে বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী সিলেবাসে পরিবর্তন আনা হয়। কমিটির পরামর্শ থাকলে ভবিষ্যতে এ বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করা যেতে পারে।”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *