পুরুষতন্ত্র নিয়ে বিস্ফোরক শুভশ্রী! রাজের সঙ্গে কি দূরত্ব তৈরি? জল্পনার উত্তর মিলল অন্দরমহলে

টলি-কুইন শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের একটি ইনস্টাগ্রাম স্টোরি ঘিরে এখন সরগরম টলিপাড়া। অভিনেত্রী শেয়ার করেছেন বলিউডের প্রখ্যাত অভিনেত্রী রত্না পাঠক শাহের একটি উক্তি, যেখানে সমাজব্যবস্থায় পুরুষতন্ত্র ও নারী-পুরুষের দায়িত্বের বৈষম্য নিয়ে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। উক্তিটিতে বলা হয়েছে, “পুরুষেরা সন্তান সামলালে সমাজ তাদের প্রশংসা করে, কিন্তু একজন কর্মরতা মা সন্তানকে বেবিসিটারের কাছে রেখে কাজে বেরোলে সমাজ তাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করায়।” এই পোস্টের পরেই নেটিজেনদের একাংশ প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন—তবে কি রাজ-শুভশ্রীর সংসারে কোনো মতানৈক্য তৈরি হয়েছে?
জল্পনার সূত্রপাত:
সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজ-শুভশ্রীর একে অপরের পোস্টে নিয়মিত লাইক দেওয়া দীর্ঘদিনের রীতি। সম্প্রতি শুভশ্রীর পোস্টে রাজের লাইক দেখতে না পাওয়ায় জল্পনা আরও ঘনীভূত হয়। এর সঙ্গে দেব ও শুভশ্রীর রসায়ন নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হওয়ায় নেটপাড়ায় নানারকম কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে।
বাস্তবটা ঠিক কী?
শুভশ্রীর ঘনিষ্ঠমহল এবং নির্ভরযোগ্য সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, তাঁদের সম্পর্কে বিন্দুমাত্র টানাপোড়েন নেই। আসলে সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজের অনুপস্থিতির কারণ একেবারেই আলাদা। গত ৪ঠা মে ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ চক্রবর্তী ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকে সাময়িক বিরতি বা ‘ডিজিটাল ডিটক্স’-এ রয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়াতেই যখন তিনি সক্রিয় নন, তখন শুভশ্রীর পোস্টে লাইক করা বা না করার প্রশ্নই ওঠে না।
পরিচালকের ঘনিষ্ঠদের দাবি, রাজ বরাবরই শুভশ্রীর কাজ ও ক্যারিয়ারের প্রতি অত্যন্ত সাপোর্টিভ। দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের পর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই শুভশ্রীর সেটে ফেরা এবং কাজ শুরু করার ক্ষেত্রে রাজের পূর্ণ সমর্থনই ছিল। রত্না পাঠক শাহের উক্তিটি শুভশ্রী নিছকই একজন সমাজ সচেতন মানুষ হিসেবে শেয়ার করেছেন, যার সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের কোনো সংঘাত নেই।
পরিশেষে, অনুরাগীদের একটা বড় অংশের মতে—তারকাদের প্রতিটি পোস্টের গভীরে ব্যক্তিগত সমস্যা খোঁজা বন্ধ করা উচিত। শুভশ্রী একজন স্বাধীনচেতা নারী, যিনি নিজের মতামত প্রকাশের পূর্ণ অধিকার রাখেন। আপাতত রাজ ও শুভশ্রী তাঁদের সুখী দাম্পত্য জীবন ও কর্মজীবন নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন।