তৃণমূল থেকে বিজেপিতে কি আরও ভাঙন? দলবদল নিয়ে এবার মুখ খুললেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ!

রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অব্যাহত ভাঙন। সুখেন্দু শেখর রায়, সুস্মিতা দেব থেকে শুরু করে সম্প্রতি প্রকাশ চিক বরাইকের মতো একাধিক হেভিওয়েট নেতার পদত্যাগ ও দল ছাড়ার ঘটনায় সরগরম বাংলার রাজনীতি। প্রশ্ন উঠছে, তৃণমূলের এই ধারাবাহিক ভাঙন কি অদূর ভবিষ্যতে আরও বড় কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে? একের পর এক নেতার শিবির পরিবর্তনের এই প্রেক্ষাপটে এবার মুখ খুললেন রাজ্যের বর্তমান মন্ত্রিসভার অন্যতম সদস্য ও বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ।
রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর আলোকপাত করতে গিয়ে দিলীপ ঘোষ তৃণমূলের নেতৃত্বের ওপর তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন, তৃণমূলের অন্দরে এখন চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে এবং দলের অনেক নেতা-কর্মীই বর্তমান নেতৃত্বের ওপর বীতশ্রদ্ধ হয়ে বিকল্প পথের সন্ধান করছেন।
দলবদলের এই হিড়িক আগামী দিনে আরও বাড়বে কি না—এই প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ ঘোষের বক্তব্যে কিছুটা ইঙ্গিতবাহী সুর শোনা গেছে। তিনি দাবি করেছেন, তৃণমূল কংগ্রেস বর্তমানে তার রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা হারাচ্ছে। এই পরিস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই অন্য দলে যোগদানের পথ প্রশস্ত করছে। তবে দলত্যাগীরা ঠিক কী শর্তে বা কোন পরিকল্পনায় বিজেপির আঙিনায় আসছেন, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের যে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে, তাতে তৃণমূলের এই অভ্যন্তরীণ সংকটের সুযোগ নিতে চাইছে বিজেপি। এখন দেখার বিষয়, আগামী দিনে আরও কতজন নেতা শাসকদল ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন এবং এই দলবদলের ঢেউ তৃণমূলের সাংগঠনিক কাঠামোতে কতটা প্রভাব ফেলে।