ESIC-কর্মীদের জন্য বড় সুখবর! মিলবে বেকারভাতা, জেনে নিন আবেদনের শর্ত

ইএসআইসি (ESIC)-এর আওতাভুক্ত কর্মীদের জন্য এল বড় স্বস্তির খবর। কেন্দ্রীয় সরকার ‘অটল বিমিত ব্যক্তি কল্যাণ যোজনা’ (ABVKY)-র মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে, কোনো কারণে চাকরি হারালেও যোগ্য কর্মীরা আগামী ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত এই প্রকল্পের অধীনে আর্থিক সহায়তা বা বেকারভাতা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
মেয়াদের বিস্তারিত:
পূর্বে এই প্রকল্পের মেয়াদ ৩০ জুন ২০২৬-এ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কেন্দ্রীয় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্যের সভাপতিত্বে ইএসআইসি-র ১৯৮তম বৈঠকে এই প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই সুবিধা ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
কী এই প্রকল্প ও কারা পাবেন সুবিধা?
‘অটল বিমিত ব্যক্তি কল্যাণ যোজনা’ মূলত ইএসআই আইনের অন্তর্ভুক্ত কর্মীদের জন্য একটি বেকারভাতা প্রকল্প। চাকরি হারানোর পর নতুন কর্মসংস্থান খোঁজার মধ্যবর্তী সময়ে কর্মীদের আর্থিক টানাপোড়েন কমাতে এই সহায়তা প্রদান করা হয়। যে সমস্ত কর্মী ইএসআই-এর আওতাভুক্ত এবং প্রকল্পের নির্ধারিত শর্তাবলি পূরণ করেন, তারাই এই সহায়তার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
ESIC বনাম EPFO: মূল পার্থক্য:
অনেকই ইএসআইসি (ESIC) এবং ইপিএফও (EPFO)-কে গুলিয়ে ফেলেন। তফাৎটা বুঝে নেওয়া জরুরি:
-
ESIC: এটি মূলত স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং সামাজিক সুরক্ষার জন্য। এর মাধ্যমে চিকিৎসা সুবিধা, মাতৃত্বকালীন সুবিধা, অক্ষমতা ভাতা এবং এই বিশেষ ‘বেকারভাতা’ পাওয়া যায়।
-
EPFO: এটি মূলত অবসরকালীন সঞ্চয় ও পেনশনের জন্য তৈরি। পিএফ (PF), পেনশন এবং ইন্স্যুরেন্স সুবিধা থাকলেও, ইপিএফও-তে বেকারভাতার মতো কোনো সুবিধা নেই।
এক নজরে প্রকল্পটির বৈশিষ্ট্য:
| বিষয় | তথ্য |
| প্রকল্পের নাম | অটল বিমিত ব্যক্তি কল্যাণ যোজনা (ABVKY) |
| নতুন বর্ধিত মেয়াদ | ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত |
| কার্যকরী তারিখ | ১ জুলাই ২০২৬ থেকে |
| সুবিধা | বেকারত্বকালীন আর্থিক সহায়তা |
| অনুমোদন | ইএসআইসি-র ১৯৮তম বৈঠক |
চাকরি হারানোর মতো কঠিন সময়ে এই আর্থিক সুরক্ষা কর্মীদের জন্য বড় একটি ভরসা হয়ে উঠতে পারে। প্রকল্পের শর্তাবলি ও আবেদন পদ্ধতি সম্পর্কে আরও বিশদ জানতে ইএসআইসি-র অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা নিকটস্থ শাখায় যোগাযোগ করতে পারেন কর্মীরা।