অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতে মোদী সরকারের বড় পদক্ষেপ! ৯ জুলাই বৈঠকে বসছেন অমিত শাহ

দেশকে নকশালবাদমুক্ত করার পর এবার কেন্দ্রীয় সরকারের মূল লক্ষ্য—অবৈধ অনুপ্রবেশ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আগামী ৯ জুলাই দিল্লি সুষমা স্বরাজ ভবনে এক হাইভোল্টেজ বৈঠকের ডাক দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রাজ্যের ডিজিপি এবং দেশের শীর্ষ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রধানদের নিয়ে প্রায় ৬-৭ ঘণ্টা ধরে এই ম্যারাথন বৈঠক চলবে।

বৈঠকের মূল লক্ষ্য ও কৌশল শুধু অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত করা নয়, বরং তাদের আশ্রয় ও মদতদানকারী পুরো নেটওয়ার্কটি ভেঙে দেওয়াই এই বৈঠকের প্রধান উদ্দেশ্য। সূত্র অনুযায়ী, এই বৈঠকে যে বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে:

  • সমন্বিত অভিযান: রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে একটি যৌথ কৌশল তৈরি করা।

  • নেটওয়ার্ক ধ্বংস: অনুপ্রবেশকারীদের জাল কাগজপত্র সরবরাহ, পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়া চক্রের ওপর কঠোর আক্রমণ।

  • জাতীয় নিরাপত্তা: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কথায়, সীমান্ত এলাকার জনতাত্ত্বিক পরিবর্তন একটি জাতীয় নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ। সেই প্রেক্ষিতেই এই বড় পদক্ষেপ।

উচ্চপর্যায়ের কমিটির কাজ শুরু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের নেতৃত্বে গঠিত উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি ইতিমধ্যেই তৎপর। তারা মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল সফর করবে। সীমান্ত এলাকা থেকে শুরু করে দেশের বড় বড় শিল্প শহরগুলোতে সমীক্ষা চালিয়ে দ্রুত সুপারিশ জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

দেশজুড়ে একযোগে অভিযান বিভিন্ন রাজ্যে আলাদা আলাদা পদক্ষেপ না নিয়ে, নকশালবাদ নির্মূল অভিযানের মতো এবার দেশজুড়ে একযোগে অবৈধ অভিবাসন বিরোধী অভিযান চালানোর চিন্তাভাবনা করছে কেন্দ্র। সরকারের পক্ষ থেকে বিষয়টিকে দেশের নিরাপত্তার জন্য অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

৯ জুলাইয়ের এই বৈঠকের পর অবৈধ অভিবাসন বিরোধী অভিযানের একটি চূড়ান্ত সময়সীমা এবং রূপরেখা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই বৈঠকের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে সারা দেশ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *