EPFO-এর নতুন নিয়ম: পিএফ-এর সুদ ও জমার হারে কি বদল এল? জেনে নিন জরুরি আপডেট

কর্মচারী ভবিষ্য তহবিল (EPFO) সংক্রান্ত নিয়মে বড়সড় পরিবর্তন আনল কেন্দ্রীয় সরকার। ১৯৫২ সালের প্রথাগত ইপিএফ প্রকল্পের পরিবর্তে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হলো ‘কর্মচারী ভবিষ্য তহবিল (ইপিএফ) প্রকল্প, ২০২৬’। কেন্দ্রীয় সরকারের ‘সামাজিক সুরক্ষা বিধি, ২০২০’-এর আওতায় এই নতুন নিয়ম কার্যকর হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, এই পরিবর্তনের ফলে তাঁদের পিএফ-এর টাকা বা জমার হারে কোনো প্রভাব পড়বে কি না। আসুন জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত।
কী কী বদলালো? মূলত ডিজিটাল পরিষেবা এবং স্বচ্ছতার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে এই নতুন প্রকল্পে।
-
সম্পূর্ণ ডিজিটাল: অনলাইন রিটার্ন দাখিল, ইলেকট্রনিক বার্ষিক বিবরণী প্রদান, ডিজিটাল রেকর্ড সংরক্ষণ এবং অনলাইন দাবি নিষ্পত্তির প্রক্রিয়াকে নতুন স্কিমের অধীনে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হয়েছে।
-
ট্রাস্টের ওপর কড়াকড়ি: যে কোম্পানিগুলো নিজস্ব ইপএফ ট্রাস্ট পরিচালনা করে, তাদের জন্য নিয়মকানুন আরও কঠোর করা হয়েছে। ট্রাস্টি নিয়োগ থেকে শুরু করে অডিট—প্রতিটি ক্ষেত্রেই এখন থেকে কড়া নজরদারি থাকবে।
-
বিশেষ ক্ষমতা: দেশের বিশেষ দুর্যোগ বা মহামারীর মতো পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকার সাময়িকভাবে পিএফ চাঁদা হ্রাস বা স্থগিত করার ক্ষমতা রাখবে। তবে এটি কেবল জরুরি অবস্থার জন্য, স্থায়ী কোনো পরিবর্তন নয়।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—কী কী বদলায়নি? সাধারণ অ্যাকাউন্টধারীদের জন্য বড় স্বস্তির খবর হলো, তাঁদের পেনশনের সুবিধা বা জমার ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
-
অবদান: কর্মচারী এবং নিয়োগকর্তা উভয়েরই ১২% করে পিএফ চাঁদা দেওয়ার নিয়ম অপরিবর্তিত থাকছে।
-
সুদ ও ইউএএন (UAN): সুদের হার আগের মতোই থাকবে। প্রতিটি সদস্যের ইউনিভার্সাল অ্যাকাউন্ট নম্বর (UAN) একই থাকছে।
-
অন্যান্য সুবিধা: ভিপিএফ (VPF), টাকা তোলার নিয়ম, নমিনেশন এবং ব্যালেন্স ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন করা হয়নি।
আপনি কি চিন্তিত? সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নতুন এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য পুরোনো নিয়ম বাতিল করে নতুন করে সব শুরু করা নয়, বরং পুরো সিস্টেমটিকে আরও আধুনিক ও স্বচ্ছ করে তোলা। তাই নিয়মিত ইপিএফ অ্যাকাউন্টধারীদের ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। আপনার জমানো টাকা বা প্রাপ্ত সুবিধাগুলি সম্পূর্ণ সুরক্ষিত আছে এবং পুরোনো নিয়মেই পরিচালিত হবে।