“তোমার মেয়ে আজ ঝড়ে বিধ্বস্ত”-মায়ের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে ভেঙে পড়লেন কৌশাম্বী

টেলিপাড়ার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কৌশাম্বী চক্রবর্তীর জীবনে শনিবার এক বিষণ্ণ দিন। আজ ২৭ জুন, তাঁর মা’র দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী। প্রিয় মা’কে হারানোর দুই বছর পেরিয়ে গেলেও, আজও যেন ক্ষতটা টাটকা। সোশ্যাল মিডিয়ায় মা’য়ের একটি ছবি শেয়ার করে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেন অভিনেত্রী, কিন্তু তাঁর পোস্টের একটি বিশেষ অংশ নিয়েই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।

কী লিখেছেন কৌশাম্বী?

মা’য়ের একটি পুরোনো ছবি শেয়ার করে কৌশাম্বী লিখেছেন, “২৭ জুন! দুটো বছর হয়ে গেল মা…তুমি না ফেরার দেশে চলে গেছো! তোমার মেয়ের জীবনের ঝড়গুলোতে সবচেয়ে বেশি যে তোমাকেই দরকার ছিল মা! যদিও জানি তুমি সব সময় আমার সঙ্গেই আছ…সব দেখছো আর শক্তি দিচ্ছ…তোমায় খুব ভালবাসি মা, I Miss You।”

কেন নতুন জল্পনা?

অভিনেত্রীর এই পোস্টে ‘জীবনের ঝড়’ শব্দটি নজর কেড়েছে নেটিজেনদের। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, ব্যক্তিগত জীবনে কি কোনো বড় কোনো সংকটের মুখোমুখি কৌশাম্বী? সাম্প্রতিক সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিনেত্রীর কিছু পোস্ট ও তাঁর শাঁখা-পলা পরা নিয়ে নেটপাড়ায় নানা আলোচনা হয়েছে। যদিও আদৃত বা কৌশাম্বী কেউই তাঁদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি, কিন্তু অভিনেত্রীর এই ‘ঝড়’ সামলানোর কথা উল্লেখ করাতেই প্রশ্ন উঠছে— তবে কি দাম্পত্য জীবনে কোনো টানাপোড়েন চলছে? নাকি এটি ক্যারিয়ার বা অন্য কোনো ব্যক্তিগত লড়াই? কৌশাম্বী যদিও এই নিয়ে কোনো স্পষ্ট মন্তব্য করেননি।

টেলিপাড়ার প্রিয় জুটি ও কঠিন সময়:

২০২৪ সালের ৯ মে দীর্ঘ প্রেমের পর গাঁটছড়া বাঁধেন আদৃত রায় ও কৌশাম্বী চক্রবর্তী। ‘মিঠাই’ ধারাবাহিকের সেট থেকে তাঁদের ভালোবাসার শুরু। তবে বিয়ের মাত্র দুই মাসের মাথায় মা’কে হারিয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন কৌশাম্বী। এরপর গত বছর দিদাকেও হারিয়েছেন তিনি। একের পর এক ব্যক্তিগত শোক তাঁকে মানসিকভাবে অনেকটাই ভেঙে দিয়েছে বলে মনে করেন ঘনিষ্ঠরা।

বর্তমানে কৌশাম্বী ব্যস্ত রয়েছেন ‘গঙ্গা’ সিরিয়ালের শুটিংয়ে, অন্যদিকে আদৃত ব্যস্ত রয়েছেন তাঁর নতুন প্রজেক্ট ‘কুমকুম’-এর কাজে। তবে কর্মব্যস্ততার মাঝেও কৌশাম্বীর এই পোস্ট নতুন করে তাঁদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চর্চায় ইন্ধন জোগাল। ভক্তদের এখন একটাই প্রশ্ন— সব কি সত্যিই ঠিক আছে আদৃত-কৌশাম্বীর অন্দরমহলে?

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *