পাতে এবার চিকেন? বরাদ্দ বাড়ল মিড-ডে মিলে, তবুও একগুচ্ছ দাবি প্রধান শিক্ষকদের

নতুন রাজ্য সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে শিক্ষাখাতে বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তনের ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তের পেশ করা বাজেটে মিড-ডে মিলের বরাদ্দ বৃদ্ধিতে সিলমোহর দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের জন্য মাথাপিছু দৈনিক খরচ ৬ টাকা ৭৮ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা করা হয়েছে। তবে উচ্চ প্রাথমিকের জন্য বরাদ্দ আগের মতোই ১০ টাকা ১৭ পয়সা রাখা হয়েছে।

শিক্ষকদের প্রতিক্রিয়া: সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন স্কুলশিক্ষকরা। তাঁদের মতে, বরাদ্দের এই বৃদ্ধিতে মিড-ডে মিলের মান উন্নত করা সহজ হবে।

নারায়ণ দাস বাঙুর মাল্টিপারপাস স্কুলের প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় বড়ুয়া এই পদক্ষেপের প্রশংসা করে বলেন, “এই সিদ্ধান্তের ফলে স্কুলগুলোর মিড-ডে মিলের ক্ষেত্রে বড় সুবিধা হবে। আমরা আশা করছি, এই অতিরিক্ত বরাদ্দ দিয়ে সপ্তাহে একদিন পড়ুয়াদের পাতে দু’পিস করে মুরগির মাংস তুলে দেওয়া সম্ভব হবে।”

প্রধান শিক্ষকদের সতর্কবার্তা: বরাদ্দ বাড়লেও, বাস্তব পরিস্থিতির নিরিখে নতুন কিছু সমস্যার কথাও তুলে ধরেছেন শিক্ষকরা। প্রধান শিক্ষকদের একাংশের অভিযোগ:

  • চালের গুণমান: সরকারিভাবে সরবরাহ করা চাল রান্নার জন্য বেশ সময় নেয়। এতে গ্যাসের খরচ অনেকটা বেড়ে যায়। চালের গুণমান উন্নত হলে একদিকে যেমন পড়ুয়াদের পুষ্টি বাড়বে, অন্যদিকে গ্যাসের খরচেও সাশ্রয় হবে।

  • পরিকাঠামোগত উন্নয়ন: কেবল অর্থ বরাদ্দই যথেষ্ট নয়, জ্বালানি খরচ এবং সামগ্রিক পরিকাঠামো নিয়ে সরকারকে আরও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার পথে হাঁটার পরামর্শ দিচ্ছেন শিক্ষকরা।

সরকারের এই ঘোষণায় প্রাথমিক স্তরে খাবারের মান কতটা উন্নত হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে অভিভাবক ও শিক্ষা মহল।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *