দিল্লিতে বড় নাটক! শতাব্দী রায়ের বাড়িতে শুভেন্দু, তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক!

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে রাজনৈতিক ভূমিকম্প! লোকসভায় দল বড়সড় ভাঙনের মুখে পড়ার পরেই তৎপরতা তুঙ্গে। তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়ের দিল্লির বাসভবনে পৌঁছলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

শতাব্দী রায়ের বাড়িতে জরুরি বৈঠক রবিবার সন্ধেয় আচমকাই শতাব্দী রায়ের বাড়িতে বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদদের বড় অংশ জড়ো হন। সন্ধে সোয়া ৭টা নাগাদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সেখানে পৌঁছালে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও জোরালো হয়। এর আগে সকালে বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতেও বিদ্রোহী সাংসদদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর গোপন বৈঠকের খবর পাওয়া গিয়েছিল। আজকের এই বৈঠকে রাজ্যসভার পদত্যাগী তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়ের উপস্থিতিও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

২০ সাংসদের বিদ্রোহ দিল্লিতে ঘাসফুল শিবিরের অন্দরে এই বিদ্রোহ কার্যত জনসমক্ষে চলে এসেছে। তৃণমূলের অন্তত ২০ জন সাংসদ এনডিএ-র শরিক হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন জানিয়েছেন। এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং উপ-নেতা করা হয়েছে শতাব্দী রায়কে।

সাংসদদের আনাগোনা শতাব্দী রায়ের বাসভবনে এ দিন জুন মালিয়া, অসিত মাল, আবু তাহের খান এবং খলিলুর রহমানের মতো বিদ্রোহী সাংসদদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। তৃণমূলের অভ্যন্তরে ক্রমবর্ধমান এই ক্ষোভ এবং শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী সাংসদদের এভাবে প্রকাশ্যে সংঘবদ্ধ হওয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই নতুন ব্লক গঠন এবং শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁদের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতা কি তবে তৃণমূলের পতন ত্বরান্বিত করবে? এই প্রশ্নের উত্তরের দিকেই তাকিয়ে আছে রাজ্য ও জাতীয় রাজনীতি।