৪৫-এও বিশ্বকাপ মাতাবেন রোনাল্ডো? সিআর সেভেনের অবিশ্বাস্য ভবিষ্যৎ নিয়ে মুখ খুললেন কোচ

ফুটবল বিশ্বে বয়স যে শুধুই একটা সংখ্যা, তা আবারও প্রমাণ করতে চলেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ আয়োজক দেশগুলোর তালিকায় রয়েছে পর্তুগালও। আর নিজের ঘরের মাঠে হতে চলা সেই বিশ্বকাপে কি দেখা যাবে ৪৫ বছর বয়সী রোনাল্ডোকে? এই জল্পনাতেই নতুন হাওয়া দিলেন পর্তুগালের হেডকোচ রবার্তো মার্টিনেজ।

কোচের চোখে রোনাল্ডোর জেদ:

একটি রেডিও অনুষ্ঠানে রবার্তো মার্টিনেজ রোনাল্ডোর খেলা চালিয়ে যাওয়া নিয়ে কোনো সংশয় প্রকাশ করেননি। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, “কারো সন্দেহ থাকা উচিত নয় যে রোনাল্ডো ২০৩০ বিশ্বকাপ খেলতে পারে। সে নিজের পরিশ্রম আর পারফরম্যান্স দিয়ে এই বিশ্বাস অর্জন করেছে।” কোচের মতে, রোনাল্ডোর সাফল্যের মূল চাবিকাঠি শুধু শারীরিক সক্ষমতা নয়, বরং তাঁর অদম্য মানসিকতা। তিনি বলেন, “অন্যরা বড় ট্রফি জেতার পর অনেক সময় আগ্রহ হারিয়ে ফেলে, কিন্তু রোনাল্ডো সম্পূর্ণ আলাদা। ওর মধ্যে জেতার খিদে এখনও আগের মতোই তুঙ্গে।”

রেকর্ডের পথে সিআর সেভেন:

২০০৩ সালে ১৮ বছর বয়সে পর্তুগিজ জার্সিতে অভিষেক ঘটিয়েছিলেন রোনাল্ডো। এরপর দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি আন্তর্জাতিক ফুটবলে একের পর এক মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। বর্তমানে আন্তর্জাতিক ম্যাচে সর্বাধিক ম্যাচ খেলা এবং সর্বাধিক গোল করার রেকর্ড তাঁরই দখলে। ২০১৬ সালে তাঁর নেতৃত্বেই পর্তুগাল ইউরো কাপ জয় করেছিল। এখন দেখার, ৪৫ বছর বয়সে তিনি ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলে ফুটবলের ইতিহাসের পাতায় নিজেকে কোথায় নিয়ে যান।

কেন এই সম্ভাবনা অস্বাভাবিক নয়?

সাধারণত ৪৫ বছর বয়সে পেশাদার ফুটবলের সর্বোচ্চ স্তরে খেলা অসম্ভব মনে হলেও, রোনাল্ডোর ক্ষেত্রে এটি অনেক সমর্থকই সম্ভব বলে মনে করেন। তাঁর কঠোর শৃঙ্খলা, ডায়েট এবং প্রতিদিনের ট্রেনিং তাঁকে সমসাময়িক ফুটবলারদের থেকে অনেকখানি এগিয়ে রেখেছে। রবার্তো মার্টিনেজ মনে করেন, শরীরকে ফিট রাখতে রোনাল্ডো যা যা করেন, তা অন্য কোনো ফুটবলারের ক্ষেত্রে বিরল।