‘বাবা কখনও মিথ্যাচার করেননি!’ মহেশ ভাটের পরকীয়া ও বহুগামিতা নিয়ে বিস্ফোরক পূজা ভাট

বলিউডের বিতর্কিত পরিচালক মহেশ ভাটের বর্ণময় ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চর্চার শেষ নেই। প্রথম স্ত্রী কিরণ ভাট, আলিয়া ভাটের মা সোনি রাজদান কিংবা অভিনেত্রী পরভিন বাবি— মহেশ ভাটের জীবনের এই জটিল সমীকরণ বহুবার শিরোনামে এসেছে। এবার নিজের বাবার এই বহুগামিতা ও পরকীয়া নিয়ে এক বিস্ফোরক ও সাহসী মন্তব্য করলেন তাঁর বড় মেয়ে পূজা ভাট।

‘বাবা কখনও মিথ্যে বলেননি’ সাধারণত বাবার বিতর্কিত জীবন নিয়ে সন্তানরা মুখ খুলতে নারাজ থাকেন, কিন্তু পূজা ভাটের দৃষ্টিভঙ্গি এক্ষেত্রে সম্পূর্ণ আলাদা। পূজা দাবি করেন, মহেশ ভাট তাঁর জীবনে আসা প্রতিটি সম্পর্কের ক্ষেত্রেই ছিলেন অত্যন্ত স্বচ্ছ। তিনি বলেন, “এমন অনেক পুরুষ আছেন, যাঁরা ঘরে বউয়ের সঙ্গে ভালো থাকার নাটক করেন, অথচ বাইরে লুকিয়ে দুশো জনের সঙ্গে প্রেম করেন। আমার বাবা কিন্তু কখনও সেই ভণ্ডামিতে বিশ্বাসী ছিলেন না।”

প্রকাশ্য স্বীকারোক্তিই মহেশের বৈশিষ্ট্য পূজা স্পষ্ট জানান, তাঁর বাবা যখনই অন্য কোনো মানুষের প্রেমে পড়েছেন, তিনি তা লুকিয়ে রাখার প্রয়োজন বোধ করেননি। বরং প্রতিটি সম্পর্ককে তিনি প্রকাশ্যে মর্যাদা দিয়েছেন। পূজার কথায়, “আমার বাবা কখনও মাঝপথে কারও হাত ছেড়ে দেননি। তিনি লোকদেখানো ভদ্রলোক সাজেননি, যা করেছেন সততার সাথেই করেছেন।”

পরভিন বাবির সেই স্মৃতি মহেশ ভাটের জীবনের অন্যতম আলোচিত অধ্যায় ছিল পরভিন বাবির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক। মানসিক রোগ ‘স্কিৎজোফ্রেনিয়া’-য় আক্রান্ত হওয়ার পর পরভিনের জীবনের কঠিন সময়ে একমাত্র মহেশই তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। ২০০৫ সালে যখন পরভিনের মৃত্যু হয়, তখন আত্মীয়হীন ওই অভিনেত্রীর শেষযাত্রায় পাশে ছিলেন মহেশ ভাটই। সেই স্মৃতি স্মরণ করে পূজা বুঝিয়ে দিলেন, সম্পর্কের ক্ষেত্রে মহেশের এই দায়বদ্ধতা ও সাহসিকতা বলিউডে এক বিরল নজির।

পরিচালকের জীবনের এই জটিল সমীকরণ ও সম্পর্কের স্বচ্ছতা নিয়ে পূজার এই অকপট বয়ান সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন আলোচনার তুঙ্গে। বলিউডের অন্দরের এমন অনেক চাপা সত্য বেরিয়ে আসায় এই প্রতিবেদনটি পাঠক মহলে যথেষ্ট কৌতুহলের সৃষ্টি করেছে।