খুশির খবর! চিংড়িঘাটা মেট্রোর জট কাটল শেষমেশ; আজ থেকেই বদলে যাচ্ছে বাইপাসের চেনা ছবি!

নতুন সরকার গঠন হওয়ার পরেই রাজ্যবাসীর জন্য সুখবর! দীর্ঘ প্রতীক্ষা আর জটিল আইনি লড়াই শেষ করে অবশেষে আলোর মুখ দেখছে চিংড়িঘাটা মেট্রোর কাজ। আগামী ১৫ মে, শুক্রবার থেকেই অরেঞ্জ লাইনের (Orange Line) এই গুরুত্বপূর্ণ অংশে পিলার তৈরির কাজ পুরোদমে শুরু হতে চলেছে। তবে মেট্রো নির্মাণের এই মহাযজ্ঞের জেরে ইএম বাইপাসে (EM Bypass) যাতায়াতের ক্ষেত্রে বড়সড় পরিবর্তনের কথা জানিয়েছে কলকাতা পুলিশ।
টানা ১২০ ঘণ্টা যান নিয়ন্ত্রণ: কী বলছে পুলিশ?
মেট্রো রেলের কাজের সুবিধার্থে এবং যাত্রী সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে মোট তিন দফায় ১২০ ঘণ্টা যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত থাকবে। প্রথম ধাপে, ১৫ মে শুক্রবার রাত ৮টা থেকে ১৮ মে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত টানা ৬০ ঘণ্টা উত্তরমুখী যানবাহন চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
কলকাতা পুলিশের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী:
প্রথম পর্যায়: চিংড়িঘাটা ফ্লাইওভারের নীচে ইএম বাইপাসের পশ্চিম দিকের রাস্তা বন্ধ রাখা হবে।
দ্বিতীয় পর্যায়: পরবর্তী সময়ে চিংড়িঘাটা মোড় সংলগ্ন ইএম বাইপাসের পূর্ব অংশে কাজ শুরু হবে। এই সময় বিভিন্ন রুটের গাড়ি বিকল্প পথে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে।
গন্তব্যে পৌঁছাবেন কোন পথে?
অফিস যাত্রীদের সুবিধার্থে কলকাতা পুলিশ একটি নির্দিষ্ট রুট ম্যাপ তৈরি করেছে:
১. সল্টলেক, উল্টোডাঙা এবং বিমানবন্দরগামী সমস্ত উত্তরমুখী যানবাহনকে এনএস হোটেলের সামনে থেকে মেট্রো ভায়াডাক্টের নীচ দিয়ে তৈরি নতুন ডাইভারশন রোড ব্যবহার করতে হবে।
২. প্রথম পর্যায়ে দক্ষিণমুখী (গড়িয়া বা সোনারপুরগামী) যান চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।
৩. দ্বিতীয় দফায় দক্ষিণমুখী গাড়িগুলোকে চিংড়িঘাটা ক্রসিং থেকে ঘুরিয়ে বাইপাসের পশ্চিম দিকে নতুন ‘মিডিয়ান কাট আউট’ দিয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
স্বস্তিতে শহরবাসী
চিংড়িঘাটা সংলগ্ন এলাকায় মেট্রোর পিলার তৈরির কাজ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে টানাপোড়েন চলছিল। আইনি জটিলতায় থমকে ছিল কাজ। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরেই সেই জট কাটানোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার থেকেই সাইটে মেট্রো কর্মীরা পৌঁছে যাবেন বলে নবান্ন সূত্রে খবর। যদিও সাময়িকভাবে যাতায়াতে কিছুটা অসুবিধা হতে পারে, তবুও মেট্রো সংযোগের পথে এই বড় পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন সাধারণ মানুষ।