কুমড়ো খেতে অনীহা? মাত্র ১৫ মিনিটে বানিয়ে ফেলুন জিভে জল আনা এই ‘ধোকার ডালনা’, রেসিপিটি ভাইরাল!

বাড়িতে নিরামিষের দিন মানেই অনেকের কাছেই রান্নার মেনু নিয়ে একরাশ দুশ্চিন্তা। তার ওপর যদি হঠাৎ করে অতিথি চলে আসে, তবে তো কথাই নেই। পনির বা আলুর একঘেয়ে পদ ছেড়ে এবার পাতে আনুন নতুনত্বের স্বাদ। কুমড়ো দিয়ে তৈরি ‘ধোকার ডালনা’ হতে পারে আপনার তুরুপের তাস। যারা কুমড়ো দেখলেই নাক সিঁটকান, তারাও এই পদের স্বাদ পেলে অনায়াসে দু-থোকা বেশি ভাত বা রুটি চেয়ে নেবেন। অত্যন্ত কম সময়ে এবং সাধারণ কিছু উপকরণ দিয়ে কীভাবে বানাবেন এই সুস্বাদু পদ? রইল সহজ রেসিপি।
উপকরণ:
প্রধান উপাদান: ১ কাপ ছোলার ডাল (ভিজিয়ে রাখা), ৩-৪ টুকরো বড় মিষ্টি কুমড়ো।
বাটা মশলা: ১ চা চামচ আদা কুচি, ৩-৪টি কাঁচালঙ্কা, ১ চা চামচ জিরে বাটা।
গুঁড়ো মশলা: ১/২ চা চামচ ধনে গুঁড়ো, ১ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো, ১ চা চামচ কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো।
ফোড়ন ও অন্যান্য: ১ চা চামচ কালো জিরে, ২ চামচ টম্যাটো বাটা, স্বাদমতো নুন ও চিনি, পরিমাণমতো সর্ষের তেল।
প্রস্তুত প্রণালী:
১. প্রস্তুতি: প্রথমে ছোলার ডাল কয়েক ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে জল ঝরিয়ে নিন। এরপর আদা ও কাঁচালঙ্কা দিয়ে ডালটি মিক্সিতে মিহি করে বেটে নিন। কুমড়ো ভালো করে ধুয়ে কুচিয়ে রাখুন।
২. ধোকা তৈরি: কড়াইতে তেল গরম করে কুচিয়ে রাখা কুমড়ো দিয়ে দিন। সামান্য নরম হলে এর মধ্যে ডাল বাটা, নুন ও চিনি দিয়ে দিন। মিশ্রণটি কড়াইয়ে ভালো করে নাড়াচাড়া করে কষিয়ে নিন যতক্ষণ না জল শুকিয়ে মণ্ড তৈরি হয়।
৩. আকার দেওয়া: একটি থালায় সামান্য তেল মাখিয়ে ওই গরম মিশ্রণটি সমানভাবে ছড়িয়ে দিন। ঠান্ডা হলে ছুরি দিয়ে বরফির আকারে বা চারকোনা করে ধোকাগুলো কেটে নিন। এরপর কড়াইতে তেল গরম করে ধোকাগুলো লালচে করে ভেজে তুলে রাখুন।
৪. ডালনা তৈরি: ওই তেলেই জিরে ও গরম মশলা ফোড়ন দিন। এরপর টম্যাটো বাটা ও বাকি সব গুঁড়ো মশলা দিয়ে কষাতে থাকুন। মশলা থেকে তেল ছাড়লে অল্প গরম জল দিয়ে দিন।
৫. শেষ ধাপ: ঝোল ফুটে উঠলে ভেজে রাখা ধোকাগুলো দিয়ে দিন। শেষে অল্প ঘি বা গরম মশলা ছড়িয়ে নামিয়ে নিন।
তৈরি হয়ে গেল আপনার সুস্বাদু কুমড়োর ধোকার ডালনা। গরম ভাত, লুচি বা পরোটার সঙ্গে পরিবেশন করুন এই রাজকীয় নিরামিষ পদ।