জিতবে কে? ইভিএম খোলার কয়েক ঘণ্টা আগে মদনমোহন মন্দিরে প্রার্থনা, আর বাড়ির ড্রয়িং রুমে কী করছেন উদয়ন গুহ?

সোমবার সকাল থেকেই শুরু হবে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের বহু প্রতীক্ষিত ভোটগণনা। কার মাথায় উঠবে জয়ের তিলক আর কার কপালে জুটবে পরাজয়— তা নিয়ে এখন স্নায়ুর চাপে ভুগছে সব পক্ষই। তবে গণনার ঠিক আগের দিন রবিবার দুই প্রধান শিবিরের দুই ভিন্ন মেজাজ ধরা পড়ল রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে।
মন্দিরে মন্দিরে ‘গেরুয়া’ প্রার্থনা: রবিবার সকাল থেকেই কোচবিহারের বিখ্যাত মদনমোহন মন্দিরে ভিড় জমান বিজেপি প্রার্থীরা। কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রথীন্দ্র বোস অনুগামীদের নিয়ে আরতি সারলেন দেবতার। তাঁর কথায়, “রাজ্যবাসীর মঙ্গল কামনায় পুজো দিলাম। তবে জয়ের ব্যাপারে আমি ১০০ শতাংশ নিশ্চিত।” পিছিয়ে ছিলেন না দিনহাটার বিজেপি প্রার্থী অজয় রায়ও; গোসানিমারির গড়কাটা মাষাণ মন্দিরে পুজো দিয়ে দিনহাটাবাসীর আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন তিনি। মেখলিগঞ্জেও বিজেপি প্রার্থী দধিরাম রায়কে দেখা গেল হনুমান মন্দিরে মাথা ঠোকাতে।
স্ট্রংরুম ও এজেন্টদের নিয়ে ‘ঘাসফুল’ শিবির: বিজেপি যখন ভগবানের দ্বারস্থ, তৃণমূল প্রার্থীরা তখন মজেছেন পাটিগণিতে। কোচবিহার উত্তর ও দক্ষিণ কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী পার্থপ্রতীম রায় এবং অভিজিৎ দে ভৌমিক এদিন সকালেই পৌঁছে যান পলিটেকনিক কলেজের স্ট্রংরুমে। কাউন্টিং এজেন্টদের নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক করেন তাঁরা। তবে ব্যতিক্রমী মেজাজে ধরা দিলেন দিনহাটার দাপুটে নেতা উদয়ন গুহ। কোনো মন্দির বা স্ট্রংরুম নয়, সারাদিন বাড়িতেই কাটালেন তিনি। আত্মবিশ্বাসের সুরে উদয়ন বলেন, “এতদিন অনেক পরিশ্রম করেছি, আজ তাই বিশ্রাম। আমি ১০০ শতাংশ নিশ্চিত যে জিতছিই।”
নিরাপত্তার লৌহবর্ম: পশ্চিম মেদিনীপুরের ১৫টি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে নির্বাচন কমিশন। খড়গপুর কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়, মেদিনীপুর কলেজ এবং ঘাটাল রবীন্দ্র শতবার্ষিকী কলেজে তৈরি হয়েছে মেগা কাউন্টিং সেন্টার। গণনা কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা। কেন্দ্রীয় বাহিনী কার্যত দুর্গ বানিয়ে ফেলেছে স্ট্রংরুমের চারপাশ। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সমস্ত দোকানপাট।
একনজরে পশ্চিম মেদিনীপুরের লড়াই:
-
মোট ভোটার: ৩৭ লক্ষ ৭০ হাজার ৭৯৪ জন।
-
প্রার্থী সংখ্যা: ১২২ জন।
-
পোলিং বুথ: ৪৩৩৩টি।
সব মিলিয়ে একদিকে যখন বিজেপি প্রার্থীদের কণ্ঠে মন্ত্রোচ্চারণ, অন্যদিকে তখন তৃণমূল প্রার্থীদের চোখে সিসিটিভি ফুটেজ আর ইভিএম-এর অংক। কার কৌশল শেষ পর্যন্ত কাজে দেয়, তা পরিষ্কার হবে আগামীকাল বিকেলের মধ্যেই।
সোমবার সকাল থেকেই শুরু হবে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের বহু প্রতীক্ষিত ভোটগণনা। কার মাথায় উঠবে জয়ের তিলক আর কার কপালে জুটবে পরাজয়— তা নিয়ে এখন স্নায়ুর চাপে ভুগছে সব পক্ষই। তবে গণনার ঠিক আগের দিন রবিবার দুই প্রধান শিবিরের দুই ভিন্ন মেজাজ ধরা পড়ল রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে।
মন্দিরে মন্দিরে ‘গেরুয়া’ প্রার্থনা: রবিবার সকাল থেকেই কোচবিহারের বিখ্যাত মদনমোহন মন্দিরে ভিড় জমান বিজেপি প্রার্থীরা। কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রথীন্দ্র বোস অনুগামীদের নিয়ে আরতি সারলেন দেবতার। তাঁর কথায়, “রাজ্যবাসীর মঙ্গল কামনায় পুজো দিলাম। তবে জয়ের ব্যাপারে আমি ১০০ শতাংশ নিশ্চিত।” পিছিয়ে ছিলেন না দিনহাটার বিজেপি প্রার্থী অজয় রায়ও; গোসানিমারির গড়কাটা মাষাণ মন্দিরে পুজো দিয়ে দিনহাটাবাসীর আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন তিনি। মেখলিগঞ্জেও বিজেপি প্রার্থী দধিরাম রায়কে দেখা গেল হনুমান মন্দিরে মাথা ঠোকাতে।
স্ট্রংরুম ও এজেন্টদের নিয়ে ‘ঘাসফুল’ শিবির: বিজেপি যখন ভগবানের দ্বারস্থ, তৃণমূল প্রার্থীরা তখন মজেছেন পাটিগণিতে। কোচবিহার উত্তর ও দক্ষিণ কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী পার্থপ্রতীম রায় এবং অভিজিৎ দে ভৌমিক এদিন সকালেই পৌঁছে যান পলিটেকনিক কলেজের স্ট্রংরুমে। কাউন্টিং এজেন্টদের নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক করেন তাঁরা। তবে ব্যতিক্রমী মেজাজে ধরা দিলেন দিনহাটার দাপুটে নেতা উদয়ন গুহ। কোনো মন্দির বা স্ট্রংরুম নয়, সারাদিন বাড়িতেই কাটালেন তিনি। আত্মবিশ্বাসের সুরে উদয়ন বলেন, “এতদিন অনেক পরিশ্রম করেছি, আজ তাই বিশ্রাম। আমি ১০০ শতাংশ নিশ্চিত যে জিতছিই।”
নিরাপত্তার লৌহবর্ম: পশ্চিম মেদিনীপুরের ১৫টি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে নির্বাচন কমিশন। খড়গপুর কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়, মেদিনীপুর কলেজ এবং ঘাটাল রবীন্দ্র শতবার্ষিকী কলেজে তৈরি হয়েছে মেগা কাউন্টিং সেন্টার। গণনা কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা। কেন্দ্রীয় বাহিনী কার্যত দুর্গ বানিয়ে ফেলেছে স্ট্রংরুমের চারপাশ। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সমস্ত দোকানপাট।
একনজরে পশ্চিম মেদিনীপুরের লড়াই:
-
মোট ভোটার: ৩৭ লক্ষ ৭০ হাজার ৭৯৪ জন।
-
প্রার্থী সংখ্যা: ১২২ জন।
-
পোলিং বুথ: ৪৩৩৩টি।
সব মিলিয়ে একদিকে যখন বিজেপি প্রার্থীদের কণ্ঠে মন্ত্রোচ্চারণ, অন্যদিকে তখন তৃণমূল প্রার্থীদের চোখে সিসিটিভি ফুটেজ আর ইভিএম-এর অংক। কার কৌশল শেষ পর্যন্ত কাজে দেয়, তা পরিষ্কার হবে আগামীকাল বিকেলের মধ্যেই।