বিদেশে বসেও মিলবে স্বীকৃতি! কৃতী প্রাক্তনীদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ যাদবপুরের, তালিকায় কারা?

বিশ্বের দরবারে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের জয়জয়কার নতুন কিছু নয়। নাসার ল্যাবরেটরি থেকে শুরু করে সিলিকন ভ্যালি—সবত্রই ছড়িয়ে রয়েছেন এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তনীরা। এবার সেইসব কৃতী সন্তানদের সাফল্যের মুকুটে নয়া পালক যোগ করতে চলেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এক বিশেষ পুরস্কারের মাধ্যমে প্রাক্তনীদের কৃতিত্বকে সম্মান জানানোর ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যেসব প্রাক্তনীরা সমাজসেবা, বিজ্ঞান, গবেষণা বা কর্পোরেট জগতে অনন্য নজির গড়েছেন, তাঁদের এবার কুর্নিশ জানাবে স্বয়ং আলমা ম্যাটার। মূলত প্রাক্তনীদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের আত্মিক যোগসূত্র আরও সুদৃঢ় করতেই এই উদ্যোগ।

কী থাকছে এই পুরস্কারে? বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই পুরস্কার কোনো সাধারণ সম্মাননা নয়। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যের সঙ্গে প্রাক্তনীদের সাফল্যের মেলবন্ধন। প্রতি বছর সমাবর্তন উৎসব বা কোনো বিশেষ অনুষ্ঠানের মঞ্চে এই সম্মাননা প্রদান করা হতে পারে। একটি উচ্চপর্যায়ের সার্চ কমিটি গঠন করা হবে, যারা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কয়েক হাজার প্রাক্তনীর মধ্য থেকে সেরাদের নাম বেছে নেবেন।

উপাচার্য ও কার্যনির্বাহী সমিতির সদস্যদের মতে, যাদবপুরের প্রাক্তনীরা বর্তমানে বিশ্বের বড় বড় প্রতিষ্ঠানের শীর্ষপদে আসীন। তাঁদের এই সাফল্য আগামী প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়াবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় যেমন তার সন্তানদের সম্মানিত করতে পারবে, তেমনই প্রাক্তনীদের হাত ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকাঠামো উন্নয়নেও নতুন দিশা মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

যাদবপুরের এই পদক্ষেপে ইতিমধ্যেই প্রাক্তনী মহলে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছে। শিক্ষা মহলের মতে, এই ধরণের স্বীকৃতি কেবল প্রতিষ্ঠানের গৌরব বাড়ায় না, বরং প্রাক্তনীদের সঙ্গে বর্তমান শিক্ষার্থীদের একটি যোগসূত্র তৈরি করে দেয়। এখন দেখার বিষয়, প্রথম তালিকায় কোন কোন দিকপালের নাম উঠে আসে।