২০০ পার না দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা? এক্সিট পোলের পাল্টা হুঙ্কার মমতার, দিলেন বড় আপডেট!

দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হতেই বাংলার রাজনীতির পারদ চড়ল তুঙ্গে। একদিকে যখন বিভিন্ন বুথফেরত সমীক্ষায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেওয়া হচ্ছে, ঠিক তখনই পাল্টা হুঙ্কার দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার সন্ধ্যায় সাফ জানিয়ে দিলেন, সমস্ত ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে বাংলায় চতুর্থবারের জন্য ক্ষমতায় ফিরছে তৃণমূল কংগ্রেস, আর তাও ‘দুই-তৃতীয়াংশ’ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে।

“২০০ পার করবে তৃণমূল”: মমতার আত্মবিশ্বাসের সুর

ভোটের গতিপ্রকৃতি এবং দলীয় রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী এদিন অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী মেজাজে ধরা দেন। তিনি বলেন:

  • বিশাল জয়: “আমার কাছে যা খবর আছে, বিজেপি হারছে। আমরা দুই-তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে সরকার গড়ব।”

  • সংখ্যাতত্ত্ব: অন্য এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি যোগ করেন, “২০০-র গণ্ডি আমরা অনায়াসেই পেরিয়ে যাব। সংখ্যাটা ঠিক কোথায় গিয়ে ঠেকবে, তা মানুষই ঠিক করবেন।”

কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

ভোট মিটতেই এদিন কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা করেন মমতা। তিনি অভিযোগ করেন, সাধারণ ভোটার ও এজেন্টদের ওপর নজিরবিহীন অত্যাচার চালাচ্ছে সিআরপিএফ (CRPF)।

“সীমান্ত পাহারা দেওয়ার বদলে ওরা মানুষের ওপর অত্যাচার করছে। ছোট ছোট বাচ্চাদেরও রেহাই দিচ্ছে না। এজেন্টদের বুথ থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে। আমি আমার জীবনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর এমন রূপ দেখিনি।” — মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

পাল্টা তোপ বিজেপির: “মমতার কথায় মানুষের আর ভরসা নেই”

মুখ্যমন্ত্রীর এই অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ গেরুয়া শিবির। রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য কড়া ভাষায় জানান, তৃণমূলের এই সমস্ত ‘কুৎসা’ ও বিবৃতির কোনো গ্রহণযোগ্যতা বাংলার মানুষের কাছে আর নেই। মানুষ শান্তিতে ভোট দিচ্ছেন এবং পরিবর্তনের জন্য মুখিয়ে আছেন।

অন্যদিকে, বিজেপি প্রার্থী তথা হেভিওয়েট নেতা শুভেন্দু অধিকারী ফের দাবি করেছেন, এবার খোদ ভবানীপুরেই হারবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠন নিশ্চিত।

ফলাফল কবে?

কার দাবি সত্যি আর কার দাবি নিছকই রাজনৈতিক কৌশল— তার উত্তর মিলবে আগামী ৪ মে। ওই দিনই জানা যাবে বাংলার তখত কার দখলে যাচ্ছে।