“৪ তারিখেই উত্তর পাবে…”— ভোট দিয়েই জল্পনা উসকে দিলেন সুপারস্টার জিৎ!

শহর কলকাতার আবহাওয়া আজ খামখেয়ালি। একদিকে মেঘলা আকাশ আর মিঠে হাওয়ায় ‘ঠান্ডা ঠান্ডা কুল কুল’ মেজাজ, অন্যদিকে ভোট রাজনীতির পারদ চড়েছে সপ্তমে। বাংলায় আজ দ্বিতীয় তথা অন্তিম দফার নির্বাচন। আর এই গণতান্ত্রিক উৎসবে সাধারণ মানুষের ভিড়ে সামিল হলেন টলিউড সুপারস্টার জিৎ।
সাদা শার্টে ‘বস’-এর এন্ট্রি
বুধবার সাতসকালেই নিউ আলিপুরের শ্রী সারদা আশ্রম বালিকা বিদ্যালয়ে ভোট দিতে পৌঁছান অভিনেতা। পরনে ধবধবে সাদা শার্ট, কালো ট্রাউজার্স আর মাথায় কালো টুপি— চিরাচরিত মেজাজেই ধরা দিলেন টলি-পর্দার ‘বস’। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী মোহনাও। সেলিব্রিটি সুলভ গাম্ভীর্য সরিয়ে রেখে সাধারণের লাইনেই দাঁড়িয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন তারকা দম্পতি।
ভোটের হাওয়া কার দিকে? জিতের রহস্যময় উত্তর!
ভোট দিয়ে বেরোনোর সময় স্বাভাবিকভাবেই সংবাদমাধ্যমের ভিড় ছেঁকে ধরে তাঁকে। রাজনীতির কারবারিরা যখন জয়ের দাবি নিয়ে সরব, তখন জিতের উত্তর ছিল খানিকটা আলাদা। বাংলার ভোটের হাওয়া কোন দিকে? সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তরে মিষ্টি হেসে জিতের সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া:
“৪ তারিখে কী হচ্ছে দেখে নাও… যা বলার ওদিনই বলা হবে।”
জিতের এই রহস্যময় হাসি আর ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য ঘিরে এখন রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
জওয়ানের আবদার ও সেলফি
বুথের বাইরে প্রিয় নায়ককে কাছে পেয়ে অনুরাগীদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। শুধু সাধারণ মানুষই নন, এদিন ডিউটিতে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদেরও জিতের সঙ্গে সেলফি তুলতে দেখা যায়। স্মিত হেসেই সকলের আবদার মেটান অভিনেতা।
রাজনীতি থেকে নিরাপদ দূরত্ব
টলিউডের প্রথম সারির অনেক অভিনেতা যখন রাজনীতির মঞ্চে সরাসরি সক্রিয়, কেউ প্রার্থী হয়েছেন তো কেউ তারকা প্রচারক— জিৎ কিন্তু বরাবরই এই বৃত্তের বাইরে। তাঁকে কখনও কোনও নির্দিষ্ট দলের পতাকা হাতে বা রাজনীতির মঞ্চে দেখা যায় না। তবে রাজনীতির ছোঁয়া বাঁচিয়ে চললেও নাগরিক কর্তব্য পালনে যে তিনি প্রথম সারিতে, তা আজ আরও একবার প্রমাণ করলেন অভিনেতা।