“তৃণমূলের বিদায় ঘণ্টা বেজে গিয়েছে!” দ্বিতীয় দফার আগেই বঙ্গে পরিবর্তনের ডাক শমীক ভট্টাচার্যের

দ্বিতীয় দফার ভোট শুরু হওয়ার ঠিক আগে রাজ্য রাজনীতিতে কার্যত বোমা ফাটালেন বিজেপি নেতা ও রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। শাসক দল তৃণমূলের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী— “তৃণমূল আর ফিরছে না!” মঙ্গলবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে শমীক ভট্টাচার্য দাবি করেন, বাংলার মানুষ তৃণমূলের শাসন থেকে মুক্তি বা ‘পরিত্রাণ’ চাইছে এবং এবার সেই ইচ্ছা ব্যালট বাক্সে প্রতিফলিত হবে।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার ‘দুর্গ’ ভাঙার দাবি
তৃণমূলের অন্যতম শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত দক্ষিণ ২৪ পরগনা। তবে শমীকের দাবি, এবার সেই সমীকরণ বদলে গিয়েছে। তাঁর মতে:
-
ভয়ের অবসান: সাধারণ মানুষ আর ভয় পেয়ে ঘরে বসে নেই।
-
দুর্গ ভাঙার খেলা: দীর্ঘদিনের অপরাজেয় এই গড় এবার ভাঙতে শুরু করেছে এবং মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে পদ্ম শিবিরে ভিড় করছেন।
-
বিস্ফোরক দাবি: ৪ মে-র ফলাফল প্রকাশের পর বাংলায় এক নতুন রাজনৈতিক সূর্যোদয় হবে এবং তৃণমূলের ‘বিদায় ঘণ্টা’ বেজে যাবে।
কেন ‘পরিত্রাণ’ চাইছে মানুষ?
শমীক ভট্টাচার্যের অভিযোগ, গত কয়েক বছরে রাজ্যে নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে লাগামহীন তোলাবাজি সাধারণ মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। তাঁর কথায়, “মানুষ এখন উন্নয়ন চায়, দুর্নীতি নয়। তাই তারা ডাবল ইঞ্জিন সরকারের ওপর ভরসা রাখছে।” তিনি আরও যোগ করেন, কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলো সঠিক ভাবে মানুষের কাছে পৌঁছনোর জন্য রাজ্যে বিজেপি সরকার আসা এখন সময়ের অপেক্ষা।
৪ মে-র লক্ষ্য: ডাবল ইঞ্জিন সরকার
আগামী ৪ মে-র দিকেই এখন সবার নজর। শমীক ভট্টাচার্যের এই দাবি কি কেবলই রাজনৈতিক কৌশল নাকি সত্যিই তলে তলে কোনও বড় পরিবর্তন হচ্ছে? তিনি জোরের সঙ্গে বলেন, “বাংলার মানুষ বুঝে গিয়েছে, ডাবল ইঞ্জিন সরকার ছাড়া উন্নয়নের আর কোনও বিকল্প নেই। এবার মানুষের ভোটেই তৃণমূলের অহঙ্কার চূর্ণ হবে।”