কপিল মুনির আশীর্বাদ নিয়ে চন্দননগরে শাহী হুঙ্কার! শেষবেলার রোড-শো-তে জনজোয়ার

রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের অন্তিম তথা দ্বিতীয় দফার মহারণ শুরু হওয়ার আগে আজ শেষ প্রচার। আর সেই শেষবেলার লড়াইয়ে বঙ্গ বিজেপি-র সেনাপতি হয়ে ময়দানে নামলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আজ সকাল সকাল গঙ্গাসাগরে কপিল মুনির আশ্রমে পুজো দিয়ে জয়ের প্রার্থনা সেরে সোজা চন্দননগরে পৌঁছে গিয়েছেন তিনি।
কপিল মুনির দর্শনে শুরু প্রচার
এদিন নির্বাচনী প্রচারের শুরুতেই আধ্যাত্মিক ছোঁয়া রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। গঙ্গাসাগরে কপিল মুনির মন্দিরে আরতি ও দর্শনের পর তিনি রওনা দেন হুগলির চন্দননগরের উদ্দেশ্যে। রাজনৈতিক মহলের মতে, শেষ দফার ভোটের আগে হিন্দুত্বের আবেগকে উসকে দিতেই শাহের এই মন্দির সফর।
চন্দননগরে জনজোয়ার
বিজেপি প্রার্থী দীপাঞ্জন গুহর সমর্থনে চন্দননগরে আয়োজিত হয়েছে এক বিশাল রোড-শো।
রুট ম্যাপ: চন্দননগর কুটির মাঠের হেলিপ্যাডে নেমে জিটি রোড ধরে শুরু হয় এই বর্ণাঢ্য পদযাত্রা। বাগবাজার থেকে লক্ষ্মীগঞ্জ বাজার পর্যন্ত কয়েক কিলোমিটার রাস্তা ছেয়ে গিয়েছে গেরুয়া পতাকা ও ব্যানারে।
উৎসাহ: রাস্তার দু’ধারে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের ভিড় সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে পুলিশকে। শাহের গাড়ি থেকে বর্ষিত হচ্ছে পুষ্পবৃষ্টি, পালটা জয়ধ্বনি দিচ্ছে কর্মী-সমর্থকরা।
নিরাপত্তার চাদরে চন্দননগর
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই হাই-ভোল্টেজ প্রচারকে কেন্দ্র করে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট এবং নির্বাচন কমিশনের তরফে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। জিটি রোডের ওপর দিয়ে রোড-শো চলায় একাধিক সংযোগকারী রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত বা ‘নো এন্ট্রি’ করা হয়েছে। ড্রোন ও সিসিটিভি-র মাধ্যমে চলছে আকাশপথে নজরদারি।
প্রথম দফার ভোটের পর আজ শেষ রবিবারের প্রচারে শাসক-বিরোধী দু’পক্ষই যখন অল-আউট ঝাঁপিয়েছে, তখন চন্দননগরের এই রাজকীয় প্রচার ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এখন দেখার, শেষলগ্নের এই ‘শাহী’ প্রচার চন্দননগরের ভোটবাক্সে কতটা প্রভাব ফেলে।