প্রথম বলেই ছক্কা! বিশ্বজয়ী কামিন্সকে ‘পাড়াবৈঠকি’ মার বৈভবের, ম্যাচ শেষে অজি কাপ্তানের মুখে একি কথা?

ক্রিকেট ইতিহাসে কত বড় বড় নামই তো দেখেছেন প্যাট কামিন্স। কিন্তু রাজস্থান রয়্যালসের ‘বিস্ময়-বালক’ বৈভব সূর্যবংশী যেন সব সমীকরণ উল্টে দিলেন। শনিবার জয়পুরের সোয়াই মান সিং স্টেডিয়ামে বিশ্বজয়ী অজি অধিনায়ককে ফেস করা প্রথম বলটাই গ্যালারিতে পাঠিয়ে আইপিএলে তাঁকে ‘স্বাগত’ জানালেন বৈভব। প্রথম বলেই ছক্কা হজম করেও এই ভারতীয় কিশোরের ব্যাটিং ‘বৈভবে’ স্রেফ মোহিত কামিন্স। ম্যাচ শেষে অজি তারকা অকপটে স্বীকার করলেন, “বৈভব এখন আমার প্রিয় ক্রিকেটার।”

৩৬ বলে ধ্বংসলীলা, আইপিএলে নয়া নক্ষত্র শনিবার রাজস্থান রয়্যালস ঘরের মাঠে ম্যাচ হারলেও জয়পুরের আকাশ-বাতাস মজে ছিল বৈভবের ব্যাটিংয়ে। মাত্র ৩৬ বলে আইপিএলের ইতিহাসের তৃতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরি হাঁকান এই তরুণ ওপেনার। তাঁর ৩৭ বলে ১০৩ রানের বিস্ফোরক ইনিংসে ছিল ১২টি বিশাল ছক্কা। এর মধ্যে কামিন্সকে মারা সেই প্রথম বলের ছক্কাটি ছিল ম্যাচের হাইলাইট।

বৈভবে মোহিত কামিন্স ম্যাচ শেষে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক প্যাট কামিন্স বৈভবের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তিনি বলেন, “নিঃসন্দেহে ও এখন আমার প্রিয় ক্রিকেটার। কী জোরে শটগুলো মারে! দেখতে দারুণ লাগে, বেশ মজাদার। বোলার হিসেবে ওর বিরুদ্ধে সবসময় সতর্ক থাকতে হবে, নইলে বল স্টেডিয়ামের বাইরে গিয়ে পড়বে।” কামিন্সের মতে, বৈভব যেভাবে প্রতিপক্ষের হাত থেকে ম্যাচ ছিনিয়ে নেয়, তা এক কথায় অবিশ্বাস্য।

জলে গেল বৈভবের লড়াই বৈভবের ১০৩ এবং ধ্রুব জুরেলের ৫১ রানের ওপর ভর করে রাজস্থান স্কোরবোর্ডে ২২৮ রানের বিশাল রান তুলেছিল। কিন্তু জয়পুরের রাতে অভিষেক শর্মা (২৯ বলে ৫৭) এবং ঈশান কিষাণের (৩১ বলে ৭৪) পাল্টা ব্যাটিং ঝড়ে ম্লান হয়ে যায় সূর্যবংশীর লড়াই। ১৮.৩ ওভারেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় হায়দরাবাদ।

ম্যাচ হারলেও ক্রিকেট বিশ্ব এখন মেতেছে রাজস্থানের এই নতুন সূর্যবংশীকে নিয়ে। কামিন্স-বুমরাহদের পাড়ার বোলারে পরিণত করা বৈভব যে আগামীর বড় ধামাকা, তা নিয়ে আর কোনো সন্দেহ নেই।