ভোট শেষ হতেই ফের উত্তপ্ত বাংলার মাটি। এবার উত্তরবঙ্গের ফুলবাড়িতে রাজনৈতিক হিংসার নগ্ন রূপ প্রকাশ্যে এল। অভিযোগ, ভোট মিটে যাওয়ার পরপরই এক বিজেপি কর্মীকে টার্গেট করে বেধড়ক মারধর করেছে তৃণমূল আশ্রিত একদল দুষ্কৃতী। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে, যা গড়িয়েছে থানার দোরগোড়া পর্যন্ত। রক্তাক্ত বিজেপি কর্মী, কাঠগড়ায় তৃণমূল আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর পরিবারের দাবি, কোনো প্ররোচনা ছাড়াই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা তাঁর ওপর চড়াও হয়। মারধরের জেরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, নির্বাচনের ফল নিয়ে আতঙ্কে থেকেই এই হামলা চালিয়েছে শাসকদল। যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করে একে ব্যক্তিগত বিবাদ বলে দাবি করা হয়েছে। পুলিশের ভূমিকায় ক্ষোভ, থানা ঘেরাও ঘটনার পর পুলিশ মূল অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করায় ক্ষোভে ফেটে পড়ে বিজেপি নেতৃত্ব। খোদ প্রার্থীর নেতৃত্বে বিশাল কর্মী-সমর্থক বাহিনী স্থানীয় থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। প্রার্থীর সাফ অভিযোগ, “পুলিশের সামনেই দুষ্কৃতীরা ঘুরে বেড়াচ্ছে, অথচ তাদের ধরা হচ্ছে না। পুলিশ প্রশাসন এখন শাসকদলের দাসে পরিণত হয়েছে।” থমথমে এলাকা থানা ঘেরাও কর্মসূচির জেরে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। বিজেপি হুঁশিয়ারি দিয়েছে, অবিলম্বে মূল অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা না হলে আরও বড় আন্দোলনে নামবে তারা। অন্যদিকে, এলাকায় নতুন করে যাতে কোনো সংঘর্ষ না ঘটে, তার জন্য চলছে কড়া টহলদারি

ভোট শেষ হতেই ফের উত্তপ্ত বাংলার মাটি। এবার উত্তরবঙ্গের ফুলবাড়িতে রাজনৈতিক হিংসার নগ্ন রূপ প্রকাশ্যে এল। অভিযোগ, ভোট মিটে যাওয়ার পরপরই এক বিজেপি কর্মীকে টার্গেট করে বেধড়ক মারধর করেছে তৃণমূল আশ্রিত একদল দুষ্কৃতী। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে, যা গড়িয়েছে থানার দোরগোড়া পর্যন্ত।
রক্তাক্ত বিজেপি কর্মী, কাঠগড়ায় তৃণমূল আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর পরিবারের দাবি, কোনো প্ররোচনা ছাড়াই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা তাঁর ওপর চড়াও হয়। মারধরের জেরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, নির্বাচনের ফল নিয়ে আতঙ্কে থেকেই এই হামলা চালিয়েছে শাসকদল। যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করে একে ব্যক্তিগত বিবাদ বলে দাবি করা হয়েছে।
পুলিশের ভূমিকায় ক্ষোভ, থানা ঘেরাও ঘটনার পর পুলিশ মূল অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করায় ক্ষোভে ফেটে পড়ে বিজেপি নেতৃত্ব। খোদ প্রার্থীর নেতৃত্বে বিশাল কর্মী-সমর্থক বাহিনী স্থানীয় থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। প্রার্থীর সাফ অভিযোগ, “পুলিশের সামনেই দুষ্কৃতীরা ঘুরে বেড়াচ্ছে, অথচ তাদের ধরা হচ্ছে না। পুলিশ প্রশাসন এখন শাসকদলের দাসে পরিণত হয়েছে।”
থমথমে এলাকা থানা ঘেরাও কর্মসূচির জেরে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। বিজেপি হুঁশিয়ারি দিয়েছে, অবিলম্বে মূল অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা না হলে আরও বড় আন্দোলনে নামবে তারা। অন্যদিকে, এলাকায় নতুন করে যাতে কোনো সংঘর্ষ না ঘটে, তার জন্য চলছে কড়া টহলদারি।