“বাংলায় উর্দু বললে কী হবে? ফিরহাদ হাকিমকে সরাসরি নিশানা করে বিষ্ফোরক যোগী আদিত্যনাথ”

রাজ্যে ভোটযুদ্ধের পারদ চড়তেই এবার কলকাতার বুকে দাঁড়িয়ে তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে তীব্র আক্রমণ শানালেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে উর্দু ভাষার ব্যবহার এবং তুষ্টিকরণের রাজনীতি নিয়ে ফিরহাদকে নিশানা করে এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি।
মূল ঘটনার প্রেক্ষাপট: কলকাতা সফরের একটি জনসভা থেকে যোগী আদিত্যনাথ অভিযোগ করেন, বাংলার ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতিকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, “বাংলা বীর সন্তানদের ভূমি, স্বামী বিবেকানন্দ আর সুভাষচন্দ্র বসুর ভূমি। এখানে যদি কেউ বিদেশি কায়দায় উর্দু চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন, তবে বাংলার মানুষ তা মেনে নেবেন না।”
ফিরহাদ হাকিমের প্রতি সরাসরি তোপ: ফিরহাদ হাকিমের নাম উল্লেখ করে যোগী দাবি করেন, বিশেষ একটি সম্প্রদায়ের ভোটব্যাঙ্ক নিশ্চিত করতে গিয়ে বাংলার শিকড়কে ভুলে যাচ্ছেন তৃণমূল নেতারা। তার মতে, বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে বাংলার ভাষা ও সংস্কৃতিকে অগ্রাধিকার না দিয়ে কেন অন্য ভাষার আড়ালে রাজনীতি করা হচ্ছে, তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন।
রাজনৈতিক মহলে তোলপাড়: যোগীর এই মন্তব্যের পর রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জোর তরজা। তৃণমূল শিবিরের দাবি, যোগী আদিত্যনাথ আসলে বিভাজনের রাজনীতি করতে কলকাতায় এসেছেন। ফিরহাদ হাকিমের পক্ষ থেকে পাল্টা জানানো হয়েছে যে, ভারত একটি বৈচিত্র্যময় দেশ এবং এখানে সব ভাষার সমান অধিকার রয়েছে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: নির্বাচনের মুখে যোগী আদিত্যনাথের এই ‘উর্দু বনাম বাংলা’ কার্ড রাজ্যে মেরুকরণের রাজনীতিকে কতটা উসকে দেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।