SIR-এ ‘ডিলিটেড’ ভোটারদের ভাগ্যবদল! তালিকায় নাম উঠল কি না জানবেন কীভাবে?

ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গিয়েছে? ভাবছেন ভোট দিতে পারবেন না? আপনার জন্য বড় সুখবর নিয়ে এল নির্বাচন কমিশন। সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক নির্দেশ মেনে, এবার ভোটের মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগেও যদি কোনও ‘ডিলিটেড’ বা বাদ পড়া ভোটার ট্রাইব্যুনাল থেকে ছাড়পত্র পান, তবে তিনি সগৌরবে নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। কিন্তু এই প্রক্রিয়া কীভাবে কাজ করবে এবং ভোটাররা তাঁদের নামের স্থিতি জানবেন কীভাবে? এই নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ আগরওয়াল।

সময়সীমা ও ট্রাইব্যুনাল প্রক্রিয়া

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত ছাড়পত্র পাওয়ার সুযোগ থাকছে:

  • প্রথম দফা: ২১ এপ্রিলের মধ্যে নিষ্পত্তি হলে ভোট দেওয়া যাবে।

  • দ্বিতীয় দফা: ২৭ এপ্রিলের মধ্যে নিষ্পত্তি হতে হবে। মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, ১৯ জন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির একটি প্যানেল এই ‘আপিল ট্রাইব্যুনাল’-এ কাজ করছেন। ভোটাররা সশরীরে না গিয়েও কমিশনের মোবাইল অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

তালিকায় নাম যুক্ত হবে কীভাবে?

কমিশন ৯ এপ্রিল পর্যন্ত একটি চূড়ান্ত তালিকা তৈরি রাখলেও, নতুন ছাড়পত্র পাওয়া নামগুলি যুক্ত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

  • সফটওয়্যার সংযোগ: সিইও জানান, “কমিশন একটি বিশেষ সফটওয়্যার তৈরি করবে যা ‘সেতু বন্ধন’-এর মতো কাজ করবে। ট্রাইব্যুনালে নাম নিষ্পত্তি হওয়ামাত্রই তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোটার তালিকায় যুক্ত হতে থাকবে।”

  • রিয়েল-টাইম আপডেট: যদিও এখনও নির্দিষ্ট ড্যাশবোর্ড তৈরি হয়নি, তবে কাজ দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে।

নাম নথিভুক্ত হলে ভোটাররা জানবেন কীভাবে?

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল, ভোটাররা এই ছাড়পত্রের খবর পাবেন কীভাবে? সিইও তিনটি উপায়ের কথা জানিয়েছেন:

  1. BLO-র দায়িত্ব: সংশ্লিষ্ট এলাকার বুথ লেভেল অফিসার (BLO) ওই ভোটারের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করবেন।

  2. অনলাইন চেক: নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ভোটাররা নিজেদের স্ট্যাটাস পরীক্ষা করতে পারবেন।

  3. প্রশাসনিক অফিস: এছাড়া সংশ্লিষ্ট BDO বা মহকুমা শাসকের দফতরেও এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য মজুত থাকবে।