রামায়ণের শুটিংয়ে রণবীরের সঙ্গে লড়াই যশের? মুখ খুললেন দক্ষিণী তারকা পরিচালক নীতেশ তিওয়ারি এই মেগা প্রোজেক্ট নিয়ে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী। বিশেষ করে ‘রাবণ’ হিসেবে যশের শক্তিশালী উপস্থিতি দর্শকদের এক ভিন্ন স্বাদের অভিজ্ঞতা দেবে বলে মনে করছেন তিনি। যশের গাম্ভীর্য এবং রণবীরের মগ্নতা— এই দুই বিপরীত মেরুর মেলবন্ধন বড় পর্দায় কতটা ম্যাজিক তৈরি করে, সেটাই এখন দেখার। রামায়ণের শুটিংয়ে রণবীরের সঙ্গে লড়াই যশের? মুখ খুললেন দক্ষিণী তারকা আকাশ মিশ্র আকাশ মিশ্র | Updated on: Apr 15, 2026 | 3:58 PM Google News Badge Share পর্দায় তাঁরা একে অপরের ঘোরতর প্রতিপক্ষ— একজন রাম, অন্যজন রাবণ। কিন্তু ক্যামেরার নেপথ্যে রণবীর কাপুর ও যশের সমীকরণ ঠিক কেমন? এই নিয়ে জল্পনার অবসান ঘটালেন স্বয়ং ‘কেজিএফ’ তারকা। যশের মতে, ‘রামায়ণ’-এর মতো এক মহাকাব্যিক প্রজেক্টে ব্যক্তিগত রসায়নের চেয়েও বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে এই কালজয়ী গল্পটিকে পর্দায় ফুটিয়ে তোলার দায়বদ্ধতা। রণবীর কাপুরের অভিনয় দক্ষতার প্রশংসা করে যশ বলেন, “আমাদের মধ্যে মাত্র কয়েকবার দেখা হয়েছে ঠিকই, কিন্তু রণবীর একজন অসাধারণ অভিনেতা। আমার মনে হয়, আমাদের মধ্যে থাকা পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধই কাজের ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে।” তিনি আরও যোগ করেন, যখন লক্ষ্য থাকে ‘রামায়ণ’-এর মতো বিশাল ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী কিছু তৈরি করা, তখন ব্যক্তিগত রসায়নের চেয়ে টিম হিসেবে নিজেদের সেরাটা নিংড়ে দেওয়াই আসল উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়ায়। পরিচালক নীতেশ তিওয়ারি এই মেগা প্রোজেক্ট নিয়ে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী। বিশেষ করে ‘রাবণ’ হিসেবে যশের শক্তিশালী উপস্থিতি দর্শকদের এক ভিন্ন স্বাদের অভিজ্ঞতা দেবে বলে মনে করছেন তিনি। যশের গাম্ভীর্য এবং রণবীরের মগ্নতা— এই দুই বিপরীত মেরুর মেলবন্ধন বড় পর্দায় কতটা ম্যাজিক তৈরি করে, সেটাই এখন দেখার। ২০২৬-এর দিওয়ালিতে মুক্তি পেতে চলেছে ‘রামায়ণ’। ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে অন্যতম ব্যয়বহুল এই ছবি ঘিরে ইতিমধ্যেই উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে। যশের এই মন্তব্য সেই উত্তাপকে আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিল। দিওয়ালির ধামাকায় রাম-রাবণের এই লড়াই শেষ পর্যন্ত দর্শকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে সিনেমা মহল।

ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে সবথেকে বড় লড়াই দেখার অপেক্ষায় দর্শকরা। একদিকে বলিউডের চকলেট বয় থেকে সিরিয়াস অভিনেতা হয়ে ওঠা রণবীর কাপুর (রাম), অন্যদিকে দক্ষিণী মেগাস্টার যশ (রাবণ)। নীতেশ তিওয়ারির ‘রামায়ণ’ নিয়ে উত্তেজনার পারদ যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই রণবীরের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে মুখ খুললেন খোদ ‘রকি ভাই’।

অফস্ক্রিনে কি রণবীর-যশের আদায়-কাঁচকলায় সম্পর্ক?

পর্দায় তাঁরা একে অপরের ঘোরতর প্রতিপক্ষ। কিন্তু ক্যামেরার নেপথ্যে রণবীর কাপুর ও যশের সমীকরণ ঠিক কেমন? এই নিয়ে জল্পনার অবসান ঘটিয়ে যশ জানান, ‘রামায়ণ’-এর মতো এক মহাকাব্যিক প্রজেক্টে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের চেয়ে বড় হলো কালজয়ী গল্পটিকে পর্দায় ফুটিয়ে তোলা।

রণবীর কাপুরের প্রশংসা করে যশ বলেন:

“রণবীর একজন অসাধারণ অভিনেতা। আমাদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ রয়েছে। যখন লক্ষ্য থাকে রামায়ণের মতো বিশাল কিছু তৈরি করা, তখন ব্যক্তিগত রসায়নের চেয়ে টিম হিসেবে সেরাটা দেওয়াটাই আসল উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়ায়।”


রাবণ হিসেবে যশের ‘পাওয়ারফুল’ এন্ট্রি

পরিচালক নীতেশ তিওয়ারি এই মেগা প্রজেক্ট নিয়ে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী। বিশেষ করে ‘রাবণ’ হিসেবে যশের গম্ভীর কণ্ঠস্বর এবং শক্তিশালী উপস্থিতি দর্শকদের এক ভিন্ন স্বাদের অভিজ্ঞতা দেবে। রণবীরের অভিনয়ের মগ্নতা আর যশের ব্যক্তিত্ব— এই দুই বিপরীত মেরুর মেলবন্ধন বড় পর্দায় ম্যাজিক তৈরি করবে বলেই মনে করছে সিনেমা মহল।


কবে আসছে এই মহাকাব্য?

ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে অন্যতম ব্যয়বহুল এই ছবি মুক্তি পেতে চলেছে ২০২৬-এর দিওয়ালিতে। ছবির কাস্টিং থেকে শুরু করে ভিএফএক্স— সব নিয়েই লুকোছাপা বজায় রেখেছেন নির্মাতারা। তবে যশের এই সাম্প্রতিক মন্তব্য ভক্তদের মধ্যে সিনেমার উত্তেজনা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিল।

[Image: A split screen showing Ranbir Kapoor as Rama and Yash as Ravana]

দিওয়ালির ধামাকায় রাম-রাবণের এই লড়াই কি বক্স অফিসের সব রেকর্ড ভেঙে দেবে? আপনার কী মনে হয়? কমেন্টে জানান আমাদের।