ভয়ঙ্কর দামী হচ্ছে জ্বালানি ও খাদ্যপণ্য! সাধারণ মানুষের কপালে চিন্তার ভাঁজ, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের বড় সতর্কবার্তা!

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির আঁচ এবার সরাসরি ভারতের সাধারণ মানুষের হেঁশেলে। ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের আবহে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হতেই দেশে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি (WPI) পৌঁছে গেল ৩৮ মাসের সর্বোচ্চ শিখরে। বুধবার কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য দেশের মধ্যবিত্তের রক্তচাপ বাড়িয়ে দিয়েছে।

কেন এই দাম বৃদ্ধি? সরকারি তথ্য অনুযায়ী, পাইকারি মুদ্রাস্ফীতির হার ফেব্রুয়ারির ২.১৩ শতাংশ থেকে লাফিয়ে মার্চ মাসে দাঁড়িয়েছে ৩.৮৮ শতাংশে। এর নেপথ্যে মূল খলনায়ক— অপরিশোধিত তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস। মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতার কারণে এক ধাক্কায় খনিজ তেলের দাম বেড়েছে প্রায় ৮.৭৭ শতাংশ। শুধু তেল নয়, খাদ্যদ্রব্য এবং মৌলিক ধাতুর দাম বাড়াও চিন্তায় রেখেছে অর্থনীতিবিদদের।

খাদ্যপণ্যে অস্বস্তি: খুচরো বাজারেও অবস্থা শোচনীয়। মার্চ মাসে খাদ্য মুদ্রাস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৩.৮৭ শতাংশে। আলু-পেঁয়াজের দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও টমেটো (৩৫.৯৯%) এবং ফুলকপির (৩৪.১১%) মতো আনাজের দাম আকাশছোঁয়া। এমনকি নারকেলের দামও বেড়েছে প্রায় ৪৫ শতাংশ।