“একজনকে ধরলে ১০০০ জন বেরোবে!” আই-প্যাক কর্তা গ্রেফতার হতেই হুঙ্কার মমতার

সোমবার রাতে আই-প্যাক (I-PAC) কর্তা ভিনেশ চান্দেলের গ্রেফতারি নিয়ে যখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি, ঠিক তখনই হাওড়ার জগৎবল্লভপুরের নির্বাচনী সভা থেকে পাল্টা প্রতিরোধের ডাক দিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় সংস্থার অতি-সক্রিয়তাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, “কাউকে গ্রেফতার করে তৃণমূলকে আটকানো যাবে না।”

“১০০০ জন তৈরি আছে”

কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় বিনেশ চান্দেলের গ্রেফতারির প্রসঙ্গ টেনে মমতা এদিন বলেন, “নির্বাচনী কাজ যারা করছে, তাদের ভয় দেখানো হচ্ছে। মাঝরাতে ইডি-সিবিআই তল্লাশি চালাচ্ছে। আমি বলে রাখছি, একজনকে গ্রেফতার করলে ১০০০ জন নতুন মুখ বেরিয়ে আসবে।” তাঁর দাবি, বিজেপি কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করে তৃণমূলের ঘর ভাঙার চেষ্টা করছে।

বুথ সামলাতে নয়া রণকৌশল

তৃণমূল নেত্রীর অভিযোগ, শুধুমাত্র বড় নেতাদের নয়, টার্গেট করা হচ্ছে বুথ স্তরের কর্মীদেরও। তিনি বলেন, “ওরা চাইছে তৃণমূলের বুথ এজেন্টদের গ্রেফতার করতে, যাতে ভোটকেন্দ্রে কেউ বসতে না পারে। কিন্তু মনে রাখবেন, আমাদের প্যারালাল মেশিনারি (বিকল্প ব্যবস্থা) তৈরি রাখতে হবে। একজন এজেন্টকে ধরলে তার জায়গায় আর একজন বসবে। প্রয়োজনে বাড়ির মা-বোনেরা এজেন্ট হয়ে বুথ সামলাবেন।”

প্যারালাল মেশিনারির ডাক

মমতা এদিন স্পষ্ট করে দেন যে, গ্রেফতারির ভয় দেখিয়ে ভোট আটকানো সম্ভব নয়। তৃণমূল কর্মীদের মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, এজেন্সি দিয়ে ভোট জেতা যায় না। মা-বোনেদের সক্রিয় হওয়ার ডাক দিয়ে তিনি কার্যত বুথ স্তরে এক বিকল্প বাহিনী তৈরির ইঙ্গিত দিলেন।