বুথে কি থাকবে না পোলিং এজেন্ট? খবরে তোলপাড় বাংলা, জানুন আসল সত্যিটা!

২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে জল্পনা আর ভুয়ো খবরের দাপট। সম্প্রতি পোলিং বুথে রাজনৈতিক দলের এজেন্টদের বসা নিয়ে একটি খবর ঝড়ের গতিতে ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। দাবি করা হয়, এবার বুথে আর এজেন্ট দিতে পারবে না কোনও দল। তবে এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে জল ঢেলে দিল নির্বাচন কমিশন।
কমিশনের কড়া জবাব: কমিশন একটি বিশেষ প্রেস বিবৃতির মাধ্যমে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, পোলিং এজেন্ট নিয়ে নতুন কোনও নির্দেশিকা জারি করা হয়নি। অর্থাৎ, আগের নিয়মই বহাল থাকছে। বিরোধীদের বিভ্রান্ত করতে বা সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় ছড়াতে এই ধরনের গুজব রটানো হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে। কমিশন সাফ জানিয়েছে, ভোট প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক এজেন্টদের ভূমিকা আগের মতোই অপরিবর্তিত থাকবে।
ভোটার লিস্ট থেকে ২৭ লক্ষ নাম উধাও! কী হবে প্রতিকার? এদিকে ভোটার তালিকা নিয়ে বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে রাজ্যের কয়েক লক্ষ মানুষ। চূড়ান্ত ভোটার লিস্ট ‘ফ্রিজ’ করার পর দেখা গিয়েছে, প্রায় ২৭ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। এই ‘ডিলিটেড’ ভোটারদের ভবিষ্যৎ এখন নির্ভর করছে ট্রাইব্যুনালের ওপর।
হাইকোর্টের মেগা কমিটি গঠন: ট্রাইব্যুনাল কীভাবে কাজ করবে, তা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর সক্রিয় হয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ১৯টি অ্যাপিল ট্রাইব্যুনালের কাজের রূপরেখা ঠিক করতে তিন সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছেন। এই কমিটিতে থাকছেন:
-
অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি টি.এস. শিবজ্ঞানম
-
অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রদীপ্ত রায় * অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রণবকুমার দেব
এই তিন প্রাক্তন বিচারপতির কমিটিই ঠিক করবেন ট্রাইব্যুনালের কাজের পদ্ধতি। তবে ভোটের আগে এই ২৭ লক্ষ মানুষ তাঁদের ভোটাধিকার ফিরে পাবেন কি না, তা নিয়ে এখনও আইনি জটিলতা কাটেনি।